Skip to main content

Posts

ধর্ম ও বাংলাদেশের রাজনীতি

ধর্ম হচ্ছে নিজেকে শাসন করার জন্যে, অন্যকে নয়। যিনি ধর্মকে সঠিক ভাবে নিজের মধ্যে ধারণ করে জীবন যাপন করেন তিনিই প্রকৃত ধার্মিক। আর যিনি ধর্মকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বা অন্যকে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম পালনে বাধ্য করেন তিনি কখনোই সহি ধার্মিক নন বরং তিনি ধর্মের মুখোশের আড়ালে আপন স্বার্থ হাসিলের একটি অসত চরিত্র লালন করেন। বাংলাদেশের মতো একটি বহুজাতিক মানুষের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা ও জাতীয় নিয়মনীতির সাথে কোনো স্পেসিফিক ধর্মের সম্পৃক্ততা থাকাটা নৈতিক নয়। থাকলে তা নতুন এক ফ্যাসিবাদের জন্ম দিবে যা নিজেদের ধর্মীয় মতাদর্শ অন্য সকলের উপর চাপিয়ে দিয়ে সকলের সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করবে। আমাদেরকে এমন একজন শাসক নির্বাচন করতে হবে যার শাসনে আমরা সকলে নিজ নিজ ধর্ম পালনের এবং না পালনের সম অধিকার পাবো, যিনি সকলের ধর্মের ও মতাদর্শের স্বাধীণতা নিশ্চিত করবেন। আমরা কোনভাবেই এমন কোনো ফ্যাসিবাদী শাসক চাইবো না যিনি তার নিজের ধর্মীয় আকিদা, মতাদর্শ ও দর্শন আমাদেরকে মানতে বাধ্য করবেন। ইসলাম ধর্মের আকিদা ও শাসন দিয়ে কোনভাবেই হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা যিনি কোনো প্রাতিষ্ঠান...

ইসলামে গনতন্ত্র হারাম

ইসলামে গনতন্ত্র বিলকুল হারাম, কিন্তু ইসলামের প্রতিনিধি হইয়ে গণতন্ত্রের নির্বাচনে আসতে চাইছে যারা এরা কারা?  মূর্তি পূজা ইসলামে শিরক, শিরক মানে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, যা সর্বোচ্চ লেবেলের গোনাহ্। কিন্তু ইসলামের ধ্বজাধারী হয়ে পূর্ণাঙ্গ ঈমান নিয়ে মূর্তি পূজায় পাহারা ও স্বেচ্ছা সেবা দেওয়ার দায়িত্ব নিতে চাইছে এরা কারা? তাদের উদ্দেশ্য কি? এরা ইসলাম ধর্ম লালন পালন করতে চাইছে নাকি ধর্মকে ব্যবহার করে ক্ষমতার রস চাঁটতে চাইছে? বৈষম্যহীন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে ভিন্নধর্মীদের ধর্ম পালন করতে ইসলামী সংগঠনের নেতা, মাদ্রাসার ছাত্র বা ঈমানদার মুসলমানদের কাছে কেনো নিরাপত্তা ভিক্ষা নিতে হবে, তাহলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি?  আর এইযে বিভিন্ন ইসলামিক বক্তাগণ তাদের বক্তৃতায় বলতেছেন যে মুসলমানরা মন্দির পাহারা দিয়েছে, হিন্দুদের নিরাপত্তা দিয়েছে; কিন্তু দেশে যে এত এত মন্দিরে হামলা হলো এইসব হামলা কি ভারতের হিন্দুরা, ইজ্রায়েল থেকে ইহুদী নাসারা বা চিন থেকে বুদ্ধিস্টরা এসে করেছে? বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে মন্দির ভাঙ্গে যারা, পাহারা দেওয়ার নাটকও করে এরাই। বস্তুত যেই ধর্মে মূর্তি পূজা বিলকুল হারাম, (তা...

আমি বহুল প্রচলিত ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না, কর্ম...

আমি বহুল প্রচলিত কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাদের দৈব শক্তি ও আমি বহুল প্রচলিত কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাদের দৈব শক্তি ও তাদের আচার বিচারে এক বিন্দুও বিশ্বাস কিংবা ভরসা করি না। কিন্তু এটা খুব ভালো ভাবেই বিশ্বাস করি যে, *প্রকৃতি কারো পাপের ভার নিজের কাঁদে নেয় না*। প্রত্যেকেই তার কৃত কর্মের ফলাফল নিজে ভোগ করতে বাধ্য। আপনি হয়তো আজকে কোনো একটা অন্যায় করে ভালো বোধ করতেছেন, ভাবছেন ভালই ত আছি। বাহ্যিকভাবে এর কোনো খারাপ ইফেক্ট দেখতে পাচ্ছেন না।  কিন্তু এই কর্মের ফিডব্যাক সাথে সাথেই আপনার মস্তিষ্কে সেট হয়ে গিয়েছে। আপনার জীবনের সাথে যা কিছু ঘটে এবং ঘটবে সকল কিছুই আপনার মস্তিষ্কের ডেটার উপর নির্ভর করে ঘটে। এই ডেটাব্যাজ যত কুলষিত হবে, ততই আপনার চারপাশ, আপনার সুস্থ জিবন ব্যহত হতে থাকবে, সুখে থাকা, ভালো থাকা ব্যহত হতে থাকবে।  আপনি অনেক কিছুই খালি চোখে দেখতে পারেন না, যেমন বাতাস, বিদ্যুত প্রবাহ, রেডিও তরঙ্গ, নেটওয়ার্কের রেডিয়েশন, শব্দের চলাচল কিংবা আপনার সামনেই শূন্য স্পেসে ভাসমান পানির অস্তিত্ব। এইসব আপনি খালি চোখে না দেখতে পেলেও এইসবের অস্তিত্ব আপনার চারপাশে খুব বাস্তব উপলব্ধির সাথ...

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের শাস্তি

আমি বহুল প্রচলিত কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাদের দৈব শক্তি ও তাদের আচার বিচারে এক বিন্দুও বিশ্বাস কিংবা ভরসা করি না। কিন্তু এটা খুব ভালো ভাবেই বিশ্বাস করি যে, *প্রকৃতি কারো পাপের ভার নিজের কাঁদে নেয় না*। প্রত্যেকেই তার কৃত কর্মের ফলাফল নিজে ভোগ করতে বাধ্য। আপনি হয়তো আজকে কোনো একটা অন্যায় করে ভালো বোধ করতেছেন, ভাবছেন ভালই ত আছি। বাহ্যিকভাবে এর কোনো খারাপ ইফেক্ট দেখতে পাচ্ছেন না।  কিন্তু এই কর্মের ফিডব্যাক সাথে সাথেই আপনার মস্তিষ্কে সেট হয়ে গিয়েছে। আপনার জীবনের সাথে যা কিছু ঘটে এবং ঘটবে সকল কিছুই আপনার মস্তিষ্কের ডেটার উপর নির্ভর করে ঘটে। এই ডেটাব্যাজ যত কুলষিত হবে, ততই আপনার চারপাশ, আপনার সুস্থ জিবন ব্যহত হতে থাকবে, সুখে থাকা, ভালো থাকা ব্যহত হতে থাকবে।  আপনি অনেক কিছুই খালি চোখে দেখতে পারেন না, যেমন বাতাস, বিদ্যুত প্রবাহ, রেডিও তরঙ্গ, নেটওয়ার্কের রেডিয়েশন, শব্দের চলাচল কিংবা আপনার সামনেই শূন্য স্পেসে ভাসমান পানির অস্তিত্ব। এইসব আপনি খালি চোখে না দেখতে পেলেও এইসবের অস্তিত্ব আপনার চারপাশে খুব বাস্তব উপলব্ধির সাথেই বিদ্যমান আছে। যেইভাবে দৃষ্টির অগোচরে আপনার মস্তিষ্কে বিদ্য...

রিলেশনশিপ, যেখানে আসলেই প্রেম আছে

আশেপাশে ৩ ধরনের রিলেশনশিপ দেখা যায়। প্রথমটি, যেখানে সবকিছুই সুখ, সবকিছুই ভালোলাগা, দুইজনেই দুইজনের প্রতি মুগ্ধ, আকৃষ্ট; কারো কোনো দোষ নেই, অযোগ্যতা নেই, নেই কোনো সমস্যা। নিয়মিত ফিজিক্যাল অ্যাটাচমেন্ট আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শো-অফ চলছে, এবং সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। (Temporary) দ্বিতীয়টি হল যখন একজন জানতে শুরু করেন তার সাথে থাকা মানুষটির দোষ, অযোগ্যতা, তার অপূর্ণতা,  অ্যাটেনশনের অভাব, সন্ধেহ, ডিসরেসপেক্টিং বিহেভিয়ার আর নিয়মিত অর্থহীন ঝগড়া। এই স্টেইজের রিলেশনশিপ কঠিন এবং টক্সিক, এখানে কেউ কারো কাছে নত হবে না, কারো ঠেকা নেই কারো সমস্যা ঠিক করার, দুইজনেরই পার্সোনালিটির শো-অফ উচ্চ মাত্রার এবং এখানে কেউ কাউকে ঠিক করতে ইচ্ছুক নয়। (Going to hell)  তৃতীয়টি হচ্ছে যেখানে একজন সত্যিই প্রেমে পড়ে, এবং একজন আরেকজনের অসুন্দর্য, অযোগ্যতা, দোষ, সমস্যাগুলি জানে এবং তারা এটাও জানে যে কিভাবে অভিযোগ, আঘাত, অপমান কিংবা চিৎকার করার প্রয়োজন ছাড়াই তার সাথের মানুষটির এবং তাদের সমস্যাগুলির সমাধান করতে হয়। 💞 এখানে আসলেই প্রেম আছে, ভালোবাসা আছে এবং এটাই আসলে রিলেশনশিপ, উপরের দুইটা নাথিং। Sadek Mahmud ✍...

বর্তমান সময়ে দেশে কেনো বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে?

বিবাহ বিচ্ছেদ - ডিভোর্স  এর কিছু বাস্তবিক কারণ ও প্রেক্ষাপট - ধর্মান্ধ পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা: বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার ই ধর্মান্ধ এবং পুরুষতান্ত্রিক, এখানে ধর্ম এবং পুরুষতন্ত্রের আদলে গড়ে উঠা সমাজ এই আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়ার যুগেও নারীদের গৃহ বন্ধী ও কোণঠাসা করে রাখতে চায়। কিছু পরিবার শুধুই যে কোণঠাসা করে রাখে এমনটাই নয় শুধু, বরং সেখানের ধর্মান্ধ পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায় নারীর উপর, নারীকে তার হুকুমের গোলাম তথা দাসি বানিয়ে রাখতে চায়। একটি অপ্রিয় বাস্তবতা হচ্ছে বেশিরভাগ পুরুষই যৌনতায় এক নারীতে বেশিদিন সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না, নারী যত সুন্দরীই হোক না কেনো, তার প্রতি অনীহা আসেই। বিয়ের কিছুদিন বা কয়েকমাস পরেই নিজের বউয়ের প্রতি কামভাব কমতে থাকে, তখন দেখা যায় যে পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ তার কর্তৃত্বের বলে নারীর উপর অবজ্ঞা অবহেলা সহ সরব কিংবা নীরব শারীরিক মানসিক নির্যাতন চালায়, যেটা বাহির থেকে কেউ দেখে না, দেখতে পায় না। ফলে নারীরা এইসব পুরুষতান্ত্রিক স্বামীর সাথে সংসার করতে অতিষ্ট হয়ে উঠে। বর্তমানে মেয়েরা পড়াশুনা করে পৃথিবীকে জানতেছে, বুঝতেছে, এবং...

কওমী মাদ্রাসায় কেনো ধর্ষণ-বলাৎকার হয়? চলুন এর কিছু বাস্তবিক কারণ খুঁজি;

কওমী মাদ্রাসাগুলো সাধারনত আবাসিক শিক্ষাকেন্দ্র হয়ে থাকে, যেখানে অনেকগুলো ছেলে এক সাথে বসবাস করে এবং একই স্ট্যান্ডার্ডের বই পুস্তক পড়ে/মুখস্থ করে। উঠতি বয়সী শিশুদের স্বাভাবিক মস্তিষ্ক যেখানে সুস্থ ভাবে  বেচেঁ থাকার তাগিদে নানান বিচিত্র বিনোদন চায় এবং চারপাশের সবকিছু জানার জন্যে কৌতুহলী থাকে, সেখানে কওমী মাদ্রাসার শিশুদের দিনের এবং রাতের অধিকাংশ সময়ই সুস্থ্য বিনোদনহীন থাকতে হয়, এবং একই ধরনের গ্রন্থ একচিটিয়া ভাবে মুখস্থ করার লক্ষ্যে পড়তে হয়, যেটা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে এক গ্যেয়ে, ব্যুরিং এবং অস্বস্তিকর করে তুলে। কোনো কোনো মাদ্রাসায় মাঝে মধ্যে কিছুটা সময় তারা মাদ্রাসার নিজস্ব এরিয়াতে নিজেদের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি, খেলাধুলা, চলাফেরা এসব করার কিছুটা সুযোগ পেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের অধিকাংশ সময় একটা আবদ্ধ জোনেই কাটাতে হয়। সুস্থ বিনোদনহীন আবদ্ধ এরিয়ায় একসাথে দীর্ঘদিন থাকতে থাকতে জীবন এক গেয়ে হয়ে উঠে এবং একইসাথে তাদের দৈনন্দিন জীবনে নারীর সংস্পর্শ ও সুস্থ যৌনতা না থাকায় এই সকল মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র সবেই একটা পর্যায়ে যৌনতার তাড়নায় নিজেদের মধ্যেই আকর্ষন বোধ করতে থাকে।...

পৃথীবির প্রায় সকল প্রাণীই মাতৃতান্ত্রিক হলেও মানুষ কেনো পুরুষতান্ত্রিক?

পৃথীবির প্রায় সকল প্রাণীই মাতৃতান্ত্রিক হলেও মানুষ কেনো পুরুষতান্ত্রিক? পৃথিবীতে যুগযুগ ধরে শক্তভাবে টিকে থাকা যত তন্ত্র রয়েছে তারমধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে পুরুষতন্ত্র। পৃথিবীতে আজকের এই পুরুষতন্ত্র এমনিতেই আসেনি, এর পিছনে রয়েছে কারন। যেখানে পুরুষতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পূর্বের ইতিহাসটা প্রায় ৮০% পুরুষদের জন্যেই যথেষ্ট মর্মান্তিক ছিল! সামগ্রিকভাবে নারী এবং পুরুষদের বাকি সব জায়গায় এক লাইনে এক পাল্লায় এক অবস্থানে সমান তালে সম অধিকার সম মর্যাদায় বা যেকোনো সম অবস্থানে নিয়ে আসতে পারলেও যেখানে সমতা নিশ্চিত করতে পারবেন না তা হলো যৌনতায়। প্রজনন এবং যৌনতায় নারী এবং পুরুষের ইচ্ছা আখাঙ্খা চাহিদা বা আগ্রহ কখনোই এক ছিল না, এবং এখনো যথেষ্ট ভাবেই নেই। যেকোনো পুরুষই যৌনতায় যথেষ্ট উদার, যেখানে সে যেকোনো ধরনের নারীদের সাথেই যৌনতায় যেতে দ্বিধাবোধ বা সংকোচবোধ করেন না। কিন্তু নারীরা এই ব্যাপারে যথেষ্ট খুঁতখুঁতে হয়। ভাবুন তো, একটা দেশে যদি বিবাহ প্রথা বা কমিটেড রিলেশনশিপের মত ব্যাপার না থাকতো এবং নারীরা যদি প্রজননের জন্যে স্বাধীন এবং স্বাধীনভাবে তার ইচ্ছেমত পুরুষ বেছে নেওয়ার সুযোগ পেত, তাহলে কেমন হত...

একজন মুসলিম হিসেবে যা জানা থাকা প্রয়োজন!

  একজন মুসলিম হিসেবে যা জানা থাকা প্রয়োজন! আমার আশপাশে চারপাশে অ্যাকাডেমিক ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই বোন স্বজনপরিজন আছেন। যারা তাদের প্রেমিক-প্রেমিকা, বাবা-মা ভাই-বোন এমনকি নিজের জীবনের থেকেও হজরত মুহাম্মদ (সা:) কে বেশি ভালোবাসেন, আমিও ভালবাসি। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হচ্ছে আমাদের অনেকেই যাকে এত বেশি ভালোবাসে, তার জীবন ও পরিবার পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন না। হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর একজন উম্ম্যত হিসেবে তার জীবনী সম্পর্কে কিছু ব্যাসিক তথ্য জানা থাকা একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে আপনার জন্যে জরুরী : ১ম পর্ব - জন্ম, মৃত্যু, পিতা, মাতা, স্ত্রী, দাসী, পুত্র ও পরিবার: নাম: মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ( অফিসিয়াল নাম )। পিতা: আবদুল্লাহ । মাতা: আমেনা । জন্ম ২৯ আগস্ট ৫৭০, মক্কা, হেজাজ, আরব উপদ্বীপ, সৌদি আরব। মৃত্যু ৮ জুন ৬৩২ (বয়স ৬২), ১২ রবিউল আউয়াল, ১১ হিজরি ইয়াসরিব (মদিনা), হেজাজ, আরব উপদ্বীপ, সৌদি আরব। মৃত্যুর কারণ - অসুস্থতা, প্রচন্ড জ্বর । ( কোনো কোনো হাদিসে এক ইহুদী নারী কর্তৃক চক্রান্তের মাধ্যমে বিষপান করানোর কথাও জানা যায়, যদিও এটা নিয়ে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে...

ঈশ্বর মানুষের সৃষ্টিকর্তা, নাকি মানুষ ঈশ্বর নামটির

পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক, মানুষের সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক, পালনকর্তা, রিজিক দাতা যদি একজন ঈশ্বর ই হন তবে তিনি কেনো এত জাতী-গোত্র জগতে তৈরি করেছেন,মানুষে মানুষে কেনো ই বা বেধাবেদ তৈরি করেছেন? তিনি কি পারতেন না সবাইকে এক ফরম্যাটে, একই ধর্মে সৃষ্টি করতে ? যেহেতু তিনি সর্ব- শক্তিমান,অসীম দয়ালু , পালনকর্তা ও সৃষ্টি জগতের মালিক। তবে কোথায় তার সর্বশক্তি, কোথায়  তার দয়া ? সিরিয়ায় এত হত্যাকাণ্ড কেনো ? গাজাই কেনো হয় বোমাহামলা ? মক্কায় কেনো ঝড়তুফানে দৌড়াই মুসুল্লী ? রোহিঙ্গা মুসলিমরা আজ কেন নিজেদের ঘর বাড়ি ছাড়া ? আফ্রিকায় কেন ই বা মানুষ না খেয়ে যায় মারা ? ঈশ্বর এত টা অমানবিক কেন? নাকি এসবের পিছনে তার কোনো হাত নেই ? যদি না থাকে তাহলে কিভাবে সে হয় সর্বশক্তিমান,সৃষ্টিকর্তা,পালনকর্তা ? এই প্রশ্ন গুলির কোনো যুক্তিক উত্তর নেই। সৃষ্টি জগতের সকল সৃষ্টি ই নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজ নিজ ইচ্ছাই সব কিছু করছে। কেউ মারতেছে কেউ মরতেছে , কেউ পারছে বাঁচতে, কেউ পারতেছে না। এখানে যারা ঈশ্বর এর দুহাই দেয় তারা হয় মূর্খ না হয় ধোঁকাবাজ ।

আল্লাহ কি পরম করুণাময় অসীম দয়ালু ?

হ্যা যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।  কোরআন ১/৩                                     না এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী।  কোরআন ৪/৫

ধর্ম আদিম সভ্যতার কুসংস্কার

পৃথিবীতে আগত সকল ধর্মই আদিম সভ্যতার আদিম নীতি, কুসংস্কার, রূপকথার গল্প । একজন পরম করুণাময় সর্বশক্তিমান অসিম দয়ালো স্রষ্টা কখনোই তার সৃষ্টির মধ্যে বিশৃঙ্খলা বাধাতে পারেন না। পৃথিবীতে প্রচলিত প্রায় ৪২০০+ ধর্মের সকল ধর্মাবলম্বীরাই বিশ্বাস করে যে তাদের নিজ নিজ ধর্ম ই একমাত্র সঠিক, আর বাকি সব মিথ্যা বা ভূল। প্রশ্নটা যদি এমন হয়, ৪২০০ ধর্মের মধ্যে সঠিক কোনটা ? আসলে আপনার কাছে মনে হতে পারে যে আপনার টাই সঠিক! আর এটা জানতে হলে অবশ্যই আপনাকে সকল ধর্ম গ্রন্থ গুলি মুক্তমনে পড়তে হবে। সব গ্রন্থগুলি না পড়তে পারলে অন্তত ৮-১০ টা ধর্ম গ্রন্থ পরে যদি আপনার অ্যানালিটিক্যাল মাইন্ড দিয়ে বিচার করেন, বা ধীরতার সাথে মুক্তমনে চিন্তা করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন ধর্ম আসলে কি, মানব জাতীর মুক্তির পথ নাকি কুসংস্কার ! ধর্ম নামক কুসংস্কার বা আদিম কালের বর্জনযোগ‍্য সভ্যতাই  যে আজ মানবজাতির উন্নতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা,,, এটা গোটা জাতি আজ বুঝতেই চায়বে না, কারন জাতিকে ত বহু আগেই ঈমানের খাচাই আবদ্ধ করা হয়েছে, যার বাহিরে যাওয়া ত দূরের কথা, বাহিরের কিছু চিন্তা করলেই ঈমান থাকেনা । আর ব্যর্থতা তাদেরই প্রতিনি...

মূর্খ বর্বরদের সমাজে সত্য বরাবরই অশ্লীল, তেতু আর বিরক্তির অসহনীয় যানজট।

মূর্খ বর্বরদের সমাজে সত্য বরাবরই অশ্লীল, তেতু আর বিরক্তির অসহনীয় যানজট। ধরুন আপনার নিকট আত্মীয় তীব্র ভাবে জ্বীন ভুত, বান মা!রা, বশ করা এইসব কবিরাজ তন্ত্রে বিশ্বাসী। এবং সে একজন কবিরাজকে আপনার সামনেই ১০০০ টাকা দিয়েছে তার কাজে সুফল পাওয়ার জন্যে, বা কাউকে বশ করার জন্যে। এখন আপনি ভালো ভাবেই জানেন যে কবিরাজের কোনো ক্ষমতা নাই তাকে বা তার কাজে সুফল বয়ে দেওয়ার। এখন যদি আপনি তাকে কবিরাজি কাজে আসবে না, এই এইসব ভুয়া এটা বলতে যান, দেখবেন সে আপনার প্রতি রাগান্বিত হবে এবং বিষন্ন বোধ করবে। আর যদি তার সাথে আপনি তাল দিয়ে বলেন যে এইবার সাকসেস ঠেকাই কে। দেখবেন গদ গদ হাসিতে সে আপনার প্রতি ভালো বোধ করে চলেছে। - ধরুন আপনার বন্ধুর স্ত্রী বা প্রেমিকা আপনার সামনে অন্য আরেক জনের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ায় যা আপনি স-চক্ষে দেখেন, জানেন। এখন যদি এটা আপনার বন্ধুকে আপনি বলতে যান। সে কোনোভাবেই এখানে আপনার প্রতি ভালো বোধ করবে না। আর যদি বলেন যে দুস্থ তোর স্ত্রী/প্রেমিকা অনেক সৎ, একমাত্র সহি নারী। দেখবেন সে আপনার প্রতি ভালো বোধ করবে। বা ধরুন আপনার কাছের বান্ধবী আপনার আরেক লুচ্চা বদমাইশ নারিখোর ছেলে বন্ধুর সাথে...

ধর্ম স্রষ্টার নাকি মানব রচিত ?

                স্রষ্টা যদি পরমকরুনাময়, দয়ালু, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞানী ও সব কিছুর নিয়ন্তা হয় , আর কোন ধর্ম যদি সত্যিই স্রষ্টার পক্ষ থেকে আসে তাহলে তা কখনই মানবতার জন্য বিন্দু পরিমান ক্ষতির কারন হতে পারে না। আর যদি কোন ধর্ম মানবজাতির ক্ষতির কারন হয়, তবে সেটা স্রষ্টার নই, মানব রচিত ।                          আপনার যুক্তিতে কি মনে হচ্ছে ? # তার আগে ধর্মের ক্ষতি সমূহ দেখে নেয়া যাক - ১. ধর্মের কারনে মানুষে মানুষে বিভক্তি ও শত্রুতা হয়ে থাকে। এক ধর্মের লোকেরা অন্য ধর্মের লোকদের ঘৃণা করে থাকে। যত ধর্ম তত জাতিতে বিভক্ত। আবার একই ধর্মের লোকেরা হাজারও দল ও মতে বিভক্ত হওয়ায় স্ব-ধর্মের মধ্যেও বহু শত্রুতা হয়ে থাকে। মুসলমানের সন্তানদের তো শিশুকাল থেকেই শেখানো হয় যে কাফের মানে অকৃতজ্ঞ, আল্লাহকে আস্বীকার কারী, আল্লাহর শত্রু। আর এদেরকে ঘৃণা করা ঈমানী দায়িত্ব।আল্লাহর শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব করা জায়েয নেই। ...

শাড়ী কিংবা বোরকা দুইটাই নারীকে যথেষ্ট মানুষ হয়ে উঠতে দুই অ্যাঙ্গেল থেকে বাধাগ্রস্থ করছে।

শাড়ী কিংবা বোরকা দুইটাই নারীকে যথেষ্ট মানুষ হয়ে উঠতে দুই অ্যাঙ্গেল থেকে বাধাগ্রস্থ করছে। একটা চোখে পড়ছে না ধর্মান্ধতার চশমা পড়ে আছেন বলে, আরেকটা কথিত বাঙালী সংস্কৃতির রঙিন চশমার আবরণে। ব্যক্তিগত ভাবে বলতে গেলে, আমার কাছে যেকোনো নারীকে জিন্স, টপস, শার্ট বা যেকোনো ইজি মুভিং, স্মার্ট অ্যান্ড কমফোর্ট তথা ওয়েস্টার্ন পোশাকে দেখতে বেশি সুন্দর বা আকর্ষণীয় লাগে। এবং এইসব পোশাকেই নারীর প্রতি আমার যথেষ্ট আকর্ষণ কিংবা কামভাব জাগ্রত হয়। পোশাকের সাথে নারী পুরুষ বা জাত পাতের কোনো সম্পর্ক থাকতে নেই, যার যেই পোশাকে তার আরাম লাগে, এবং তার কাছে ভালো বোধ হয়। তার সেই পোশাক পড়াই যথার্থ। হোক সেটা জাস্ট একটা হাফপ্যান্ট কিংবা ব্রা-প্যানটি বা যেকোনো শর্ট কিংবা লং পোশাক। যেকোনো মানুষেরই অধিকার রয়েছে তার মনের মত তার ভালো লাগার সাথে মিলিয়ে পোশাক পড়ার। নারীর ধর্ষিত হওয়ার কারণ: আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীর ধর্ষিত হওয়ার কারণ সে নারী নিজেই, পোশাক কিংবা ধর্ষক না। এখানের অধিকাংশ নারীই নিজেকে ধর্ষনের যথেষ্ট উপযুক্ত বস্তু বানিয়ে রেখেছে। কিভাবে? এখানের অধিকাংশ ধর্ষিত নারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখা...

কে মানুষকে পথভ্রষ্ট করে, আল্লাহ নাকি শয়তান ?

শয়তান স্মরণ করুণ, আমার বান্দা আইয়্যুবের কথা, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করে বললঃ শয়তান আমাকে যন্ত্রণা ও কষ্ট পৌছিয়েছে।  কোরআন ৩৮/৪১  .  যার প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। শয়তান বললঃ আমি অবশ্যই তোমার বান্দাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করব। তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, তাদেরকে আশ্বাস দেব; তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব এবং তাদেরকে আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরিবর্তন করতে আদেশ দেব। যে কেউ আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে পতিত হয়। সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে আশ্বাস দেয়। শয়তান তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা সব প্রতারণা বৈ নয়।  কোরআন ৪/১১৮-১২০ যারা আমার বান্দা, তাদের উপর তোমার(শয়তানের) কোন ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।  কোরআন ১৫/৪২ অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিল, বললঃ হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্তকাল জীবিত থাকার বৃক্ষের কথা এবং অবিনশ্বর রাজত্বের কথা?  কোরআন ২০/১২০ মানুষ নিজে আপনার যে কল্যাণ হয়, তা হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে আর আপনার যে অকল্যাণ হয়, সেটা হয় আপনার নিজের কারণে। আর আ...

পরকালে কিসের বিচার হবে, শরীর নাকি আত্মার ?

পরকালে কিসের বিচার হবে, শরীর নাকি আত্মার ? আসুন কোরআন থেকে জেনে নেই।                                                                                                শরীর - এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব।  কোরআন ২০/৫৫ মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না? পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।  কোরআন ৭৫/৩-৪ কাফেররা বলে, আমরা কি তোমাদেরকে এমন ব্যক্তির সন্ধান দেব, যে তোমাদেরকে খবর দেয় যে; তোমরা সম্পুর্ণ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তোমরা নতুন সৃজিত হবে।  কোরআন ৩৪/৭ #আত্মা - হে প্রশান্ত আত্মা, তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে। অতঃপর আমার ব...

ইসলামে নারীর সম্মান ও মর্যাদা

ইসলামে  নারীর সম্মান ও মর্যাদা :- # ১ : নারীর অবস্থান পুরুষের নিচে (Quran 4:34, 2:228) # ২ : তাদের মর্যাদা পুরুষের অর্ধেক (Quran 2:282, 4:11 Sahih Bukhari 3:48:826, 1:142) # ৩ : নারী পুরুষের যৌনদাসী (Ibn Hisham-al-Sira al-nabawiyya, Cairo, 1963) # ৪ : তারা পুরুষের অধিকৃত সম্পত্তি (Sahih Bukhari 5:59:524) # ৫ : তারা কুকুরের সমতুল্য (Sahih Bukhari 1:9:490, 1:9:493, 1:9:486 Sahih Muslim 4:1032, 4:1034, 4:1038-39 Abu Dawud 2:704) # ৬ : ভালোবাসার অযোগ্য (Sahih Bukhari 7:62:17 Abu Dawud 41:5119) # ৭ : তাদের বন্ধক রাখা যায় (Sahih Bukhari 5:59:369) # ৮ : ঋতুচক্র চলাকালীন তারা অপবিত্র (Quran 2:222 Al-Tabari Vol.1 p.280) হজ্ব করার অযোগ্য (Sahih Bukhari 1:6:302) # ৯ : তারা নিকৃষ্ট (Sahih Bukhari 9:88:219) বুদ্ধিহীন (Sahih Bukhari 2:24:541) অকৃতজ্ঞ (Sahih Bukhari 1:2:28) খেলার পুতুল (Al-Musanaf Vol.1 Part 2 p.263) হাড়ের মত বক্রতা যুক্ত (Sahih Muslim 8:3466-68 Sahih Bukhari 7:62:113, 7:62:114, 4:55:548) # ১০ : তারা পুরুষের চাষযোগ্য ক্ষেত্র (Quran 2:223 Abu Dawud 11:2138) # ১১ : তা...

ধর্মের আগে মানুষ

সবার উপরে মানুষ সত্য এই বাক্যটি  যেদিন  থেকে মুমিন- মুসলিম, হিন্দু, বুদ্ধ, খ্রিস্টান সকল প্রজাতি মানবে, সেদিন পৃথিবী তার প্রকৃত বৈচিত্র্য খুঁজে পাবে। মৌলিকভাবে সারা পৃথিবীতে দু'টো কারনে ই বেশিরভাগ অশান্তি বিরাজ করছে! ১. ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের চেষ্টা ২. রাষ্ট্রীয় রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যাবহার! ধর্মের কারনে, আই এস জঙ্গি,বোকোহারাম, হুথী, হিজবুল্লাহ, তালেবান, আল কায়েদা, পিকে,নুসরাত ফ্রন্ট, লস্কর ই তৈয়বা, তালিবান রক্তপাতের খেলায় মেতেছে!! আর আফগানিস্থান, গাজা, ইসরাইল , সীরিয়াই বইছে রক্তের বন্যা।  পৃথিবীতে এখনও প্রাই ৪২০০+ ধর্ম বিরাজমান রয়েছে।  বিবর্তনের বহুল ধারাবাহিকতা পেরিয়ে আমরা আজ মনুষ্য রূপে পরিবর্তিত হয়েছি, আমরা ত তখন থেকেও মানুষ যখন জগতে কোন ধর্মই ছিলনা,তবে আজ কেনো ধর্মের নামে এত টানা হেঁচড়া? যে ধর্ম গুলোর আবির্ভাব ঘটানো হয়েছিলো দুই হাত পা ওয়ালা মানব জাতিকে মানুষ করার জন্য , সে ধর্ম গুলির কারনেই আজ আমরা আরও বেশি বিতর্কিত, আতঙ্কিত হচ্ছি । পরিশেষে এটাই বলতে চাই, আমার ভালো বা খারাপ হওয়ার পিছনে কোন ধর্ম কোনো অবস্থাতেই কারণ হতে পারে না। মানুষ হওয়ার প্রবল...

বই পড়লেই কেউ জাহান্নামী হয় না, আমরা আমৃত্যু শিক্ষার্থী

আমাদের জীবন একটা মহাবিদ্যালয়, জন্মলঘ্ন থেকে মৃত্যু অবধি আমরা যত প্রকার বিপদে পড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা লাভ করি প্রত্যেকটা অবস্থানই আমাদের কোনো না কোনো শিক্ষা দিয়ে যায়। আমাদের এই শিক্ষাটাই হয়ে উঠে বাস্তব জীবনের বড় শিক্ষা, কিন্তু আমরা কজন এই বাস্তব শিক্ষার মূল্যায়ন করি। সমাজের বেশিরবিভাগই দেখা যায় সার্টিফিকেট পেতে ব্যাস্ত । আমাদের পুঁজিবাদী সমাজে আমরা সাধারণত একটা ভালো চাকরির আশায় পড়াশুনা করি । কিন্তু এতে কি আমাদের চিন্তাভাবনার কোনো উন্নতি ঘটছে, বা ঘটার সম্ভাবনা আছে। পাঠ্যবই থেকে আমরা যা শিখি তা নিত্তান্তই কমন কিছু, যা সবাই জানে বা পরে। কিন্তু আপনি আমি যদি এর বাহিরের কিছু পড়ার, শিখার  চিন্তা করি তাহলে ব্যাপারটা  একটু ক্রিয়েটিভ হতো না? অবশ্যই হতো। শেখা এবং সাফল্যলাভ ব্যাপার দুটু অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত, মানুষের শেখার কোন সীমানা নাই তাই শেখার কোনো শেষও নাই। শেখা জীবনের একটি চিরন্তন প্রক্রিয়া যা মানুষের বেঁচে থাকা অবধি চলতে থাকে। জীবনে আপনি আমি যাই করি, যেখানেই যাই, যেটাই দেখি সর্বত্রে কিছু না কিছু একটা শেখার থাকেই। আর এটাই আম...