Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2018

মন , আত্মা , পরকাল

১. আমি কে? মানুষের আমিত্ববোধ যত আদিম ও প্রবল, তত আর কিছুই নহে। আমি সুখী, আমি দুঃখী, আমি দেখিতেছি, আমি শুনিতেছি, আমি বাঁচিয়া আছি, আমি মরিব ইত্যাদি হাজার হাজার রূপে আমি আমাকে উপলব্ধি করিতেছি। কিন্তু যথার্থ ‘আমি’- এই রক্ত-মাংস-অস্থি-মজ্জায় গঠিত দেহটিই কি ‘আমি’? তাহাই যদি হয়, তবে মৃত্যুর পরে যখন দেহের উপাদানসমূহ পঁচিয়া-গলিয়া অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তনে কতগুলি মৌলিক পদার্থে রূপান্তরিত হইবে, তখন কি আমার আমিত্ব থাকিবে না? যদি না-ই থাকে, তবে স্বর্গ-নরকের সুখ-দুঃখ ভোগ করিবে কে? নতুবা ‘আমি’ কি আত্মা? যদি তাহাই হয়, তবে আত্মাকে ‘আমি’ না বলিয়া ‘আমার’- ইহা বলা হয় কেন? যখন কেহ দাবী করে যে, দেহ আমার, প্রাণ আমার এবং মন আমার, তখন দাবীদারটি কে? ২. প্রাণ কি অরূপ না সরূপ? প্রাণ যদি অরূপ বা নিরাকার হয়, তবে দেহবসানের পরে বিশ্বজীবের প্রাণসমূহ একত্র হইয়া একটি অখণ্ড সত্তা বা শক্তিতে পরিণত হইবে না কি? অবয়ব আছে বলিয়াই পদার্থের সংখ্যা আছে, নিরবয়ব বা নিরাকারের সংখ্যা আছে কি? আর সংখ্যা না থাকিলে তাহার স্বাতন্ত্র্য থাকে কি? পক্ষান্তরে প্রাণ যদি সরূপ বা সাকার হয়, তবে তাহার রূপ কি? ৩. মন ও প্রাণ কি এক...

খারাপ সময় যখন আসে, কি করা কাম্য ?

কিছু খারাপ সময় সবার জীবনেই আসে। একটা কিছু ঘটে গেলে সবার আগে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখবেন যে, যেটা হয়েছে সেটা পরিবর্তন করার সুযোগ আছে কিনা। যদি সুযোগ থাকে আপনার উচিত হবে পরিবর্তন করা। আর এই পরিবর্তনের সময় দেয়ালে পিঠ চাপড়ানোর মানে হল আপনি সেই সুযোগটাও নষ্ট করে ফেলছেন। আর যদি ঘটনাটা পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নাই থাকে তাহলে নিজেকে এভাবে বোঝাবেন যে - আমি এটা পরিবর্তন করতে পারব না। - আমি এটা পরিবর্তন করতে পারব না এই বাক্যটি বারবার নিজের ভেতরে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই দেখবেন বাক্যটি আপনাকে [আমি এটা মেনে নিয়েছি] এর কাছে পৌঁছে দেবে। আপনি যখন মেনে নিতে শুরু করবেন তখনই কষ্ট গুলো কমতে শুরু করবে। কেননা কস্টগুলোর জন্ম হয়েছিল আপনার মেনে নিতে না পারা থেকেই। কিছু মানুষ দেখবেন সামান্য ব্যাপারে ও অধিক কষ্ট অনুভব করে, আবার কিছু মানুষ দেখবেন বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্থ হয়েও ততটা কষ্ট অনুভব করে না। এখানে পার্থক্য শুধু মেনে নেওয়ার। একজন মেনে নিতে পারছেন আরেক জ ন পারতেছে না। বিষাদগ্রস্ত দিনে আনন্দের স্মৃতিচারণ কষ্ট বাড়ায় কিন্তু আনন্দের সময় কষ্টের স্মৃতিচারণ করলেও কষ্ট কমায় না। যেটা বিষণ্ণতা সেটা সব সম...

চরিত্র, লজ্জা ও যৌনতা

#চরিত্র নম্রতা, ভদ্রতা, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, শালীনতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানুষের প্রতি সম্মানবোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, মিতব্যয়িতা ইত্যাদি গুণাবলী যে ব্যক্তির মধ্যে থাকবে সেই ব্যক্তিই সুন্দর, ভালো এবং সৎচরিত্রের অধিকারী। আবার, মিথ্যা বলা, প্রতারণা, বিশ্বাসঘাতকতা, লোভ, পরনিন্দা, ওয়াদা ভঙ্গ এসব বৈশিষ্ট্য যাদের মাঝে বিদ্যমান তারাই অসৎচরিত্রের অধিকারী এবং চরিত্রহীন। #লজ্জা সবাই বলে লজ্জা হলো নারীর ভুষণ, তাহলে পুরুষের ভূষণ কি? নিন্দা ও সমালোচনার ভয়ে কোন দূষণীয় কাজ করতে মানুষের মধ্যে যে জড়ত্ববোধ / দ্বিধাবোধ হয়ে থাকে সেটাকে বলে লজ্জা বা হায়া। তা হলে লজ্জা শুধুই নারীর ভূষণ হতে যাবে কেন? নারীকে বন্দী করার জন্যে যত রকমের ফন্ধী ও শব্দের প্রয়োজন পুরুষ মানুষ তা প্রয়োগ করেছে, যা স্বপুরুষ এর জন্যে আরেক লজ্জার ব্যাপার। এটা ভাবার সময় হয়ত পূরুষ জাতির নেই । অনেকে বলে- এ র কম যে, এই ছেলেটা চরিত্রহীন আর এই মেয়েটার লজ্জা নাই। এই লজ্জা আর চরিত্রের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? চিন্তা করে আমরা দেখি কখনো? ছেলেটা যদি কোন মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব করে আর যদি মেয়েটি প্রত্যাক্ষান করে তখনি বলি ছেলেটা চর...

ইসলামের পক্ষে বিপক্ষে দলীল।

ইসলাম এমন এক ধর্ম যেখানে আপনি সব পক্ষের রেফারেন্স পাবেন। মানুষ হত্যা করার পক্ষেও কুরান হাদিসের দলিল পাবেন আবার বিপক্ষেও পাবেন। সকল আপনার পথভ্রষ্টতার পক্ষেও দলিল পাবেন আবার বিপক্ষেও দলিল পাবেন। এ কারনে মোল্লাদের  আপনি সব পক্ষেই পাবেন। তারা তর্কের সময় যখন যে পক্ষে তখন সে পক্ষের দলিল দেখায়।