Skip to main content

Posts

বর্তমান সময়ে দেশে কেনো বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে?

বিবাহ বিচ্ছেদ - ডিভোর্স  এর কিছু বাস্তবিক কারণ ও প্রেক্ষাপট - ধর্মান্ধ পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা: বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার ই ধর্মান্ধ এবং পুরুষতান্ত্রিক, এখানে ধর্ম এবং পুরুষতন্ত্রের আদলে গড়ে উঠা সমাজ এই আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়ার যুগেও নারীদের গৃহ বন্ধী ও কোণঠাসা করে রাখতে চায়। কিছু পরিবার শুধুই যে কোণঠাসা করে রাখে এমনটাই নয় শুধু, বরং সেখানের ধর্মান্ধ পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায় নারীর উপর, নারীকে তার হুকুমের গোলাম তথা দাসি বানিয়ে রাখতে চায়। একটি অপ্রিয় বাস্তবতা হচ্ছে বেশিরভাগ পুরুষই যৌনতায় এক নারীতে বেশিদিন সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না, নারী যত সুন্দরীই হোক না কেনো, তার প্রতি অনীহা আসেই। বিয়ের কিছুদিন বা কয়েকমাস পরেই নিজের বউয়ের প্রতি কামভাব কমতে থাকে, তখন দেখা যায় যে পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ তার কর্তৃত্বের বলে নারীর উপর অবজ্ঞা অবহেলা সহ সরব কিংবা নীরব শারীরিক মানসিক নির্যাতন চালায়, যেটা বাহির থেকে কেউ দেখে না, দেখতে পায় না। ফলে নারীরা এইসব পুরুষতান্ত্রিক স্বামীর সাথে সংসার করতে অতিষ্ট হয়ে উঠে। বর্তমানে মেয়েরা পড়াশুনা করে পৃথিবীকে জানতেছে, বুঝতেছে, এবং...

কওমী মাদ্রাসায় কেনো ধর্ষণ-বলাৎকার হয়? চলুন এর কিছু বাস্তবিক কারণ খুঁজি;

কওমী মাদ্রাসাগুলো সাধারনত আবাসিক শিক্ষাকেন্দ্র হয়ে থাকে, যেখানে অনেকগুলো ছেলে এক সাথে বসবাস করে এবং একই স্ট্যান্ডার্ডের বই পুস্তক পড়ে/মুখস্থ করে। উঠতি বয়সী শিশুদের স্বাভাবিক মস্তিষ্ক যেখানে সুস্থ ভাবে  বেচেঁ থাকার তাগিদে নানান বিচিত্র বিনোদন চায় এবং চারপাশের সবকিছু জানার জন্যে কৌতুহলী থাকে, সেখানে কওমী মাদ্রাসার শিশুদের দিনের এবং রাতের অধিকাংশ সময়ই সুস্থ্য বিনোদনহীন থাকতে হয়, এবং একই ধরনের গ্রন্থ একচিটিয়া ভাবে মুখস্থ করার লক্ষ্যে পড়তে হয়, যেটা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে এক গ্যেয়ে, ব্যুরিং এবং অস্বস্তিকর করে তুলে। কোনো কোনো মাদ্রাসায় মাঝে মধ্যে কিছুটা সময় তারা মাদ্রাসার নিজস্ব এরিয়াতে নিজেদের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি, খেলাধুলা, চলাফেরা এসব করার কিছুটা সুযোগ পেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের অধিকাংশ সময় একটা আবদ্ধ জোনেই কাটাতে হয়। সুস্থ বিনোদনহীন আবদ্ধ এরিয়ায় একসাথে দীর্ঘদিন থাকতে থাকতে জীবন এক গেয়ে হয়ে উঠে এবং একইসাথে তাদের দৈনন্দিন জীবনে নারীর সংস্পর্শ ও সুস্থ যৌনতা না থাকায় এই সকল মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র সবেই একটা পর্যায়ে যৌনতার তাড়নায় নিজেদের মধ্যেই আকর্ষন বোধ করতে থাকে।...

পৃথীবির প্রায় সকল প্রাণীই মাতৃতান্ত্রিক হলেও মানুষ কেনো পুরুষতান্ত্রিক?

পৃথীবির প্রায় সকল প্রাণীই মাতৃতান্ত্রিক হলেও মানুষ কেনো পুরুষতান্ত্রিক? পৃথিবীতে যুগযুগ ধরে শক্তভাবে টিকে থাকা যত তন্ত্র রয়েছে তারমধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে পুরুষতন্ত্র। পৃথিবীতে আজকের এই পুরুষতন্ত্র এমনিতেই আসেনি, এর পিছনে রয়েছে কারন। যেখানে পুরুষতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পূর্বের ইতিহাসটা প্রায় ৮০% পুরুষদের জন্যেই যথেষ্ট মর্মান্তিক ছিল! সামগ্রিকভাবে নারী এবং পুরুষদের বাকি সব জায়গায় এক লাইনে এক পাল্লায় এক অবস্থানে সমান তালে সম অধিকার সম মর্যাদায় বা যেকোনো সম অবস্থানে নিয়ে আসতে পারলেও যেখানে সমতা নিশ্চিত করতে পারবেন না তা হলো যৌনতায়। প্রজনন এবং যৌনতায় নারী এবং পুরুষের ইচ্ছা আখাঙ্খা চাহিদা বা আগ্রহ কখনোই এক ছিল না, এবং এখনো যথেষ্ট ভাবেই নেই। যেকোনো পুরুষই যৌনতায় যথেষ্ট উদার, যেখানে সে যেকোনো ধরনের নারীদের সাথেই যৌনতায় যেতে দ্বিধাবোধ বা সংকোচবোধ করেন না। কিন্তু নারীরা এই ব্যাপারে যথেষ্ট খুঁতখুঁতে হয়। ভাবুন তো, একটা দেশে যদি বিবাহ প্রথা বা কমিটেড রিলেশনশিপের মত ব্যাপার না থাকতো এবং নারীরা যদি প্রজননের জন্যে স্বাধীন এবং স্বাধীনভাবে তার ইচ্ছেমত পুরুষ বেছে নেওয়ার সুযোগ পেত, তাহলে কেমন হত...

একজন মুসলিম হিসেবে যা জানা থাকা প্রয়োজন!

  একজন মুসলিম হিসেবে যা জানা থাকা প্রয়োজন! আমার আশপাশে চারপাশে অ্যাকাডেমিক ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই বোন স্বজনপরিজন আছেন। যারা তাদের প্রেমিক-প্রেমিকা, বাবা-মা ভাই-বোন এমনকি নিজের জীবনের থেকেও হজরত মুহাম্মদ (সা:) কে বেশি ভালোবাসেন, আমিও ভালবাসি। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হচ্ছে আমাদের অনেকেই যাকে এত বেশি ভালোবাসে, তার জীবন ও পরিবার পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন না। হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর একজন উম্ম্যত হিসেবে তার জীবনী সম্পর্কে কিছু ব্যাসিক তথ্য জানা থাকা একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে আপনার জন্যে জরুরী : ১ম পর্ব - জন্ম, মৃত্যু, পিতা, মাতা, স্ত্রী, দাসী, পুত্র ও পরিবার: নাম: মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ( অফিসিয়াল নাম )। পিতা: আবদুল্লাহ । মাতা: আমেনা । জন্ম ২৯ আগস্ট ৫৭০, মক্কা, হেজাজ, আরব উপদ্বীপ, সৌদি আরব। মৃত্যু ৮ জুন ৬৩২ (বয়স ৬২), ১২ রবিউল আউয়াল, ১১ হিজরি ইয়াসরিব (মদিনা), হেজাজ, আরব উপদ্বীপ, সৌদি আরব। মৃত্যুর কারণ - অসুস্থতা, প্রচন্ড জ্বর । ( কোনো কোনো হাদিসে এক ইহুদী নারী কর্তৃক চক্রান্তের মাধ্যমে বিষপান করানোর কথাও জানা যায়, যদিও এটা নিয়ে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে...

ঈশ্বর মানুষের সৃষ্টিকর্তা, নাকি মানুষ ঈশ্বর নামটির

পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক, মানুষের সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক, পালনকর্তা, রিজিক দাতা যদি একজন ঈশ্বর ই হন তবে তিনি কেনো এত জাতী-গোত্র জগতে তৈরি করেছেন,মানুষে মানুষে কেনো ই বা বেধাবেদ তৈরি করেছেন? তিনি কি পারতেন না সবাইকে এক ফরম্যাটে, একই ধর্মে সৃষ্টি করতে ? যেহেতু তিনি সর্ব- শক্তিমান,অসীম দয়ালু , পালনকর্তা ও সৃষ্টি জগতের মালিক। তবে কোথায় তার সর্বশক্তি, কোথায়  তার দয়া ? সিরিয়ায় এত হত্যাকাণ্ড কেনো ? গাজাই কেনো হয় বোমাহামলা ? মক্কায় কেনো ঝড়তুফানে দৌড়াই মুসুল্লী ? রোহিঙ্গা মুসলিমরা আজ কেন নিজেদের ঘর বাড়ি ছাড়া ? আফ্রিকায় কেন ই বা মানুষ না খেয়ে যায় মারা ? ঈশ্বর এত টা অমানবিক কেন? নাকি এসবের পিছনে তার কোনো হাত নেই ? যদি না থাকে তাহলে কিভাবে সে হয় সর্বশক্তিমান,সৃষ্টিকর্তা,পালনকর্তা ? এই প্রশ্ন গুলির কোনো যুক্তিক উত্তর নেই। সৃষ্টি জগতের সকল সৃষ্টি ই নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজ নিজ ইচ্ছাই সব কিছু করছে। কেউ মারতেছে কেউ মরতেছে , কেউ পারছে বাঁচতে, কেউ পারতেছে না। এখানে যারা ঈশ্বর এর দুহাই দেয় তারা হয় মূর্খ না হয় ধোঁকাবাজ ।

আল্লাহ কি পরম করুণাময় অসীম দয়ালু ?

হ্যা যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।  কোরআন ১/৩                                     না এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী।  কোরআন ৪/৫

ধর্ম আদিম সভ্যতার কুসংস্কার

পৃথিবীতে আগত সকল ধর্মই আদিম সভ্যতার আদিম নীতি, কুসংস্কার, রূপকথার গল্প । একজন পরম করুণাময় সর্বশক্তিমান অসিম দয়ালো স্রষ্টা কখনোই তার সৃষ্টির মধ্যে বিশৃঙ্খলা বাধাতে পারেন না। পৃথিবীতে প্রচলিত প্রায় ৪২০০+ ধর্মের সকল ধর্মাবলম্বীরাই বিশ্বাস করে যে তাদের নিজ নিজ ধর্ম ই একমাত্র সঠিক, আর বাকি সব মিথ্যা বা ভূল। প্রশ্নটা যদি এমন হয়, ৪২০০ ধর্মের মধ্যে সঠিক কোনটা ? আসলে আপনার কাছে মনে হতে পারে যে আপনার টাই সঠিক! আর এটা জানতে হলে অবশ্যই আপনাকে সকল ধর্ম গ্রন্থ গুলি মুক্তমনে পড়তে হবে। সব গ্রন্থগুলি না পড়তে পারলে অন্তত ৮-১০ টা ধর্ম গ্রন্থ পরে যদি আপনার অ্যানালিটিক্যাল মাইন্ড দিয়ে বিচার করেন, বা ধীরতার সাথে মুক্তমনে চিন্তা করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন ধর্ম আসলে কি, মানব জাতীর মুক্তির পথ নাকি কুসংস্কার ! ধর্ম নামক কুসংস্কার বা আদিম কালের বর্জনযোগ‍্য সভ্যতাই  যে আজ মানবজাতির উন্নতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা,,, এটা গোটা জাতি আজ বুঝতেই চায়বে না, কারন জাতিকে ত বহু আগেই ঈমানের খাচাই আবদ্ধ করা হয়েছে, যার বাহিরে যাওয়া ত দূরের কথা, বাহিরের কিছু চিন্তা করলেই ঈমান থাকেনা । আর ব্যর্থতা তাদেরই প্রতিনি...