Skip to main content

Posts

ঈশ্বর মানুষের সৃষ্টিকর্তা, নাকি মানুষ ঈশ্বর নামটির

পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক, মানুষের সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক, পালনকর্তা, রিজিক দাতা যদি একজন ঈশ্বর ই হন তবে তিনি কেনো এত জাতী-গোত্র জগতে তৈরি করেছেন,মানুষে মানুষে কেনো ই বা বেধাবেদ তৈরি করেছেন? তিনি কি পারতেন না সবাইকে এক ফরম্যাটে, একই ধর্মে সৃষ্টি করতে ? যেহেতু তিনি সর্ব- শক্তিমান,অসীম দয়ালু , পালনকর্তা ও সৃষ্টি জগতের মালিক। তবে কোথায় তার সর্বশক্তি, কোথায়  তার দয়া ? সিরিয়ায় এত হত্যাকাণ্ড কেনো ? গাজাই কেনো হয় বোমাহামলা ? মক্কায় কেনো ঝড়তুফানে দৌড়াই মুসুল্লী ? রোহিঙ্গা মুসলিমরা আজ কেন নিজেদের ঘর বাড়ি ছাড়া ? আফ্রিকায় কেন ই বা মানুষ না খেয়ে যায় মারা ? ঈশ্বর এত টা অমানবিক কেন? নাকি এসবের পিছনে তার কোনো হাত নেই ? যদি না থাকে তাহলে কিভাবে সে হয় সর্বশক্তিমান,সৃষ্টিকর্তা,পালনকর্তা ? এই প্রশ্ন গুলির কোনো যুক্তিক উত্তর নেই। সৃষ্টি জগতের সকল সৃষ্টি ই নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজ নিজ ইচ্ছাই সব কিছু করছে। কেউ মারতেছে কেউ মরতেছে , কেউ পারছে বাঁচতে, কেউ পারতেছে না। এখানে যারা ঈশ্বর এর দুহাই দেয় তারা হয় মূর্খ না হয় ধোঁকাবাজ ।

আল্লাহ কি পরম করুণাময় অসীম দয়ালু ?

হ্যা যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।  কোরআন ১/৩                                     না এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী।  কোরআন ৪/৫

ধর্ম আদিম সভ্যতার কুসংস্কার

পৃথিবীতে আগত সকল ধর্মই আদিম সভ্যতার আদিম নীতি, কুসংস্কার, রূপকথার গল্প । একজন পরম করুণাময় সর্বশক্তিমান অসিম দয়ালো স্রষ্টা কখনোই তার সৃষ্টির মধ্যে বিশৃঙ্খলা বাধাতে পারেন না। পৃথিবীতে প্রচলিত প্রায় ৪২০০+ ধর্মের সকল ধর্মাবলম্বীরাই বিশ্বাস করে যে তাদের নিজ নিজ ধর্ম ই একমাত্র সঠিক, আর বাকি সব মিথ্যা বা ভূল। প্রশ্নটা যদি এমন হয়, ৪২০০ ধর্মের মধ্যে সঠিক কোনটা ? আসলে আপনার কাছে মনে হতে পারে যে আপনার টাই সঠিক! আর এটা জানতে হলে অবশ্যই আপনাকে সকল ধর্ম গ্রন্থ গুলি মুক্তমনে পড়তে হবে। সব গ্রন্থগুলি না পড়তে পারলে অন্তত ৮-১০ টা ধর্ম গ্রন্থ পরে যদি আপনার অ্যানালিটিক্যাল মাইন্ড দিয়ে বিচার করেন, বা ধীরতার সাথে মুক্তমনে চিন্তা করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন ধর্ম আসলে কি, মানব জাতীর মুক্তির পথ নাকি কুসংস্কার ! ধর্ম নামক কুসংস্কার বা আদিম কালের বর্জনযোগ‍্য সভ্যতাই  যে আজ মানবজাতির উন্নতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা,,, এটা গোটা জাতি আজ বুঝতেই চায়বে না, কারন জাতিকে ত বহু আগেই ঈমানের খাচাই আবদ্ধ করা হয়েছে, যার বাহিরে যাওয়া ত দূরের কথা, বাহিরের কিছু চিন্তা করলেই ঈমান থাকেনা । আর ব্যর্থতা তাদেরই প্রতিনি...

মূর্খ বর্বরদের সমাজে সত্য বরাবরই অশ্লীল, তেতু আর বিরক্তির অসহনীয় যানজট।

মূর্খ বর্বরদের সমাজে সত্য বরাবরই অশ্লীল, তেতু আর বিরক্তির অসহনীয় যানজট। ধরুন আপনার নিকট আত্মীয় তীব্র ভাবে জ্বীন ভুত, বান মা!রা, বশ করা এইসব কবিরাজ তন্ত্রে বিশ্বাসী। এবং সে একজন কবিরাজকে আপনার সামনেই ১০০০ টাকা দিয়েছে তার কাজে সুফল পাওয়ার জন্যে, বা কাউকে বশ করার জন্যে। এখন আপনি ভালো ভাবেই জানেন যে কবিরাজের কোনো ক্ষমতা নাই তাকে বা তার কাজে সুফল বয়ে দেওয়ার। এখন যদি আপনি তাকে কবিরাজি কাজে আসবে না, এই এইসব ভুয়া এটা বলতে যান, দেখবেন সে আপনার প্রতি রাগান্বিত হবে এবং বিষন্ন বোধ করবে। আর যদি তার সাথে আপনি তাল দিয়ে বলেন যে এইবার সাকসেস ঠেকাই কে। দেখবেন গদ গদ হাসিতে সে আপনার প্রতি ভালো বোধ করে চলেছে। - ধরুন আপনার বন্ধুর স্ত্রী বা প্রেমিকা আপনার সামনে অন্য আরেক জনের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ায় যা আপনি স-চক্ষে দেখেন, জানেন। এখন যদি এটা আপনার বন্ধুকে আপনি বলতে যান। সে কোনোভাবেই এখানে আপনার প্রতি ভালো বোধ করবে না। আর যদি বলেন যে দুস্থ তোর স্ত্রী/প্রেমিকা অনেক সৎ, একমাত্র সহি নারী। দেখবেন সে আপনার প্রতি ভালো বোধ করবে। বা ধরুন আপনার কাছের বান্ধবী আপনার আরেক লুচ্চা বদমাইশ নারিখোর ছেলে বন্ধুর সাথে...

ধর্ম স্রষ্টার নাকি মানব রচিত ?

                স্রষ্টা যদি পরমকরুনাময়, দয়ালু, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞানী ও সব কিছুর নিয়ন্তা হয় , আর কোন ধর্ম যদি সত্যিই স্রষ্টার পক্ষ থেকে আসে তাহলে তা কখনই মানবতার জন্য বিন্দু পরিমান ক্ষতির কারন হতে পারে না। আর যদি কোন ধর্ম মানবজাতির ক্ষতির কারন হয়, তবে সেটা স্রষ্টার নই, মানব রচিত ।                          আপনার যুক্তিতে কি মনে হচ্ছে ? # তার আগে ধর্মের ক্ষতি সমূহ দেখে নেয়া যাক - ১. ধর্মের কারনে মানুষে মানুষে বিভক্তি ও শত্রুতা হয়ে থাকে। এক ধর্মের লোকেরা অন্য ধর্মের লোকদের ঘৃণা করে থাকে। যত ধর্ম তত জাতিতে বিভক্ত। আবার একই ধর্মের লোকেরা হাজারও দল ও মতে বিভক্ত হওয়ায় স্ব-ধর্মের মধ্যেও বহু শত্রুতা হয়ে থাকে। মুসলমানের সন্তানদের তো শিশুকাল থেকেই শেখানো হয় যে কাফের মানে অকৃতজ্ঞ, আল্লাহকে আস্বীকার কারী, আল্লাহর শত্রু। আর এদেরকে ঘৃণা করা ঈমানী দায়িত্ব।আল্লাহর শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব করা জায়েয নেই। ...

শাড়ী কিংবা বোরকা দুইটাই নারীকে যথেষ্ট মানুষ হয়ে উঠতে দুই অ্যাঙ্গেল থেকে বাধাগ্রস্থ করছে।

শাড়ী কিংবা বোরকা দুইটাই নারীকে যথেষ্ট মানুষ হয়ে উঠতে দুই অ্যাঙ্গেল থেকে বাধাগ্রস্থ করছে। একটা চোখে পড়ছে না ধর্মান্ধতার চশমা পড়ে আছেন বলে, আরেকটা কথিত বাঙালী সংস্কৃতির রঙিন চশমার আবরণে। ব্যক্তিগত ভাবে বলতে গেলে, আমার কাছে যেকোনো নারীকে জিন্স, টপস, শার্ট বা যেকোনো ইজি মুভিং, স্মার্ট অ্যান্ড কমফোর্ট তথা ওয়েস্টার্ন পোশাকে দেখতে বেশি সুন্দর বা আকর্ষণীয় লাগে। এবং এইসব পোশাকেই নারীর প্রতি আমার যথেষ্ট আকর্ষণ কিংবা কামভাব জাগ্রত হয়। পোশাকের সাথে নারী পুরুষ বা জাত পাতের কোনো সম্পর্ক থাকতে নেই, যার যেই পোশাকে তার আরাম লাগে, এবং তার কাছে ভালো বোধ হয়। তার সেই পোশাক পড়াই যথার্থ। হোক সেটা জাস্ট একটা হাফপ্যান্ট কিংবা ব্রা-প্যানটি বা যেকোনো শর্ট কিংবা লং পোশাক। যেকোনো মানুষেরই অধিকার রয়েছে তার মনের মত তার ভালো লাগার সাথে মিলিয়ে পোশাক পড়ার। নারীর ধর্ষিত হওয়ার কারণ: আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীর ধর্ষিত হওয়ার কারণ সে নারী নিজেই, পোশাক কিংবা ধর্ষক না। এখানের অধিকাংশ নারীই নিজেকে ধর্ষনের যথেষ্ট উপযুক্ত বস্তু বানিয়ে রেখেছে। কিভাবে? এখানের অধিকাংশ ধর্ষিত নারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখা...

কে মানুষকে পথভ্রষ্ট করে, আল্লাহ নাকি শয়তান ?

শয়তান স্মরণ করুণ, আমার বান্দা আইয়্যুবের কথা, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করে বললঃ শয়তান আমাকে যন্ত্রণা ও কষ্ট পৌছিয়েছে।  কোরআন ৩৮/৪১  .  যার প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। শয়তান বললঃ আমি অবশ্যই তোমার বান্দাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করব। তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, তাদেরকে আশ্বাস দেব; তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব এবং তাদেরকে আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরিবর্তন করতে আদেশ দেব। যে কেউ আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে পতিত হয়। সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে আশ্বাস দেয়। শয়তান তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা সব প্রতারণা বৈ নয়।  কোরআন ৪/১১৮-১২০ যারা আমার বান্দা, তাদের উপর তোমার(শয়তানের) কোন ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।  কোরআন ১৫/৪২ অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিল, বললঃ হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্তকাল জীবিত থাকার বৃক্ষের কথা এবং অবিনশ্বর রাজত্বের কথা?  কোরআন ২০/১২০ মানুষ নিজে আপনার যে কল্যাণ হয়, তা হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে আর আপনার যে অকল্যাণ হয়, সেটা হয় আপনার নিজের কারণে। আর আ...