Skip to main content

Posts

আত্মহত্যার ইচ্ছা চেপে বসতে পারে যে কারও মনে মগজে প্রচেষ্টায় বা প্রতিজ্ঞায়

আত্মহত্যার ইচ্ছা চেপে বসতে পারে যে কারও মনে মগজে প্রচেষ্টায় বা প্রতিজ্ঞায়। আত্মহত্যার চ্যালেন্জ-উপায়-নিরুপায় হয়ে উঠতে পারে যে কারও  ঠান্ডা মাথার ভাবনায়ও, প্রয়োজনও অনুভুত হতে পারে তড়পে তড়পে। অতঃপর কারো বিরুদ্ধে নিজেকে হত্যার দায়ে স্ক্রিপ্ট রাইটিং ও চলতে পারে, নিরন্তর নতুন নতুন ভাবিত কল্পিত আকারে, মনো-সৃষ্ট নিষ্ঠুর ভয়ানক রুপে।।। পরিকল্পনাহীন উপস্থিত গরম মাথার খুন গুলো পরিকল্পিত ঠান্ডা মাথার খুনের চে ভয়ানক, নিষ্ঠুর, নির্দয় হয়ে থাকে। "অধিকারবোধ, আত্মসম্মানবোদ, প্রতিশুধ পরায়ণতা, আত্মনির্ভরশীলতাহীনতা অধিকাংশ আত্মহত্যা বা নিজেকে, অন্যকে হত্যার জন্য দায়ী হয়ে থাকে"। আমার মতে নিজেকে বা অন্যকে যে কাউকেই যে হত্যা করলো সেই অপরাধী,  খুনি। নিজেকে হত্যার জন্যে কাওকে দায়ী, দুশারুপ করে যে আত্মহত্যা করে সে অপরাধী খুব বড় আকারের অপরাধী । " এ যেনো নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা বঙ্গ করার মতো প্রয়াস। যতক্ষণ না আমার আমিকে কারো কাছে বেচে না দেই, ততক্ষণ আমার দেহ আমার, আমার স্বাধীনতা, আমার তন্ত্র, নিজতন্ত্র চলবে, চলছেও। আমার দেহে আমার বিচার, অধিকার, আমার স্বাধীনতা। আপনি স্বাধীন বলেই আপনি আজ আপ...

লৌকোকথাই কান দিতে নেই

রাস্তায় পরে থাকা একটি বাশ একজন লেবার বা শ্রমিকের কাছে শুধুই বাশ, আর একজন আর্কিটেকচার বা বিল্ডিং ডেভলপার এর কাছে এটি একটি কোটি টাকার বিল্ডিং এর খুঁটি। চানাচুর, বাদাম বা ঝালমুড়ি বিক্রেতার কাছে একটা নিউটন বা আইনস্টাইনের লেখা বিজ্ঞানের বইএর পাতা শুধুই ঠুঙ্গা, আর একজন বিজ্ঞানের স্টুডেন্ট এর কাছে এটা একটা মুল্যবান বই এর পাতা । দুইটা ব্যাপারই স্বাভাবিক, তবে ডিফরেন্ট ব্যাপার হলো কে কোনটা কিভাবে দেখে। আসলে যে যা যতটুকু জানে তার বিচার বা চিন্তা করার ক্ষমতা ততটুকুই। আপনার মধ্যে প্রতিভা থাকা সত্বেও যদি কিছু মানুষ আপনাকে মূল্যায়ণ না করে, এতে হতাশার কি আছে। যে যেটা জানে না, সে সেটার প্রয়োজনীয়তা বা মূল্যবোধ কিভাবে টের পাবে। যেমন অন্ধেরা তার সামনে দিয়ে হাতি গেলেও দেখে না। এটাও স্বাভাবিক। কেও যদি আপনার সাথে একসাথে বসে সময় কাটিয়ে ও আপনাকে চিনতে পারলো না বরং উল্টো চিন্তা করে আপনাকে আরো ভূল বুজলো এটা তারই ব্যার্থতা। এতে আপনার মনখুন্য হাওয়ার কিছুই নেই। লেখাটা এখনও পরিষ্কার না হলে আরো কিছু এক্সাম্পল দেই, ধরুন আপনি এমন এক এলাকাই গেলেন, যেখানে কোনো শিক্ষা ব্যাবস্থা নেই, কেও প্রাইমারী স্কুল পর্যন...

আমাদের চারপাশের খুচরা লোকজন

আমাদের জীবনের অনেকাংশ সময়ই কেটে যায় প্ল্যান পরিকল্পনা করতে করতে, আমরা যত বড় বড় স্বপ্ন দেখি তার ৪ ভাগের ১ ভাগও সেই স্বপ্নের জন্যে কাজ করি না। অনেক সময় আমরা অনেক কাজ শুরু করতে চেয়েও শুরু করি না, এই শুরু না করার পিছনে একটা বড়ো কারণ হলো, উক্ত কাজটিতে ব্যার্থ হলে চারিপাশের সমালোচকরা কি ভাববে। আর তারা কি ভাববে এটাই আমরা ভাবতে ভাবতে আমাদের প্ল্যান পরিকল্পনাটা বড় করতে থাকি, কাজটা আর শুরু করি না। আসলে চারপাশের সমালোচকরা কি ভাববে এটা তাদের ভাবনা, তাদের ভাবনা আমরা কেনো ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করবো। আমাদের উচিত নিজেদের কাজ নিজেদের মত করেই করা। চারপাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আমরা যখনই কোনো ভালো কাজ করতে যাই, তখন একগাদা মানুষ আমাদের নিরুৎসাহিত করে, যেমন একটা কাজ শুরুর সময় অন্তত শতবার আমাদের শুনতে হয় যে, এটা তুমি পারবে না, ওটা তুমি পারো না, তুমার দ্বারা হবে না, তুমার দ্বারা সম্ভব না, এটা খুব কঠিন কাজ, এটা, ওটা অসম্ভব, এভাবে হয়না ইত্যাদি। ফলে যে ইচ্ছা উদ্দীপনা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করতে চায় তার ৭০% ইচ্ছাই শেষ হয়ে যাই। আসলে এই কথাবলা লোকজন গুলি বেসিক্যালি ধর্মান্ধ,পরনিন্দুক ও হিংসুটে প্রকৃতির স্বভ...

খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ যেমন হয় -

এই গ্রহে এমন কিছু  ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের  মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়।  যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে হাতি গেলেও টের পাই না। শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে হুজুরের কাছে সিন্নি পাঠায়। কথাটা আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে, এরা মজুরের টাকা মেরে মাজারে দান করে। এরা দেখা যাই শ্রমিকের ন্যায্য পাওনার বেলায় খুব হিসাবি, অথচ ভোগবিলাসিতার বেলায় চিন্তা থাকেনা একটুও। এরা এইটুক বুঝতে চাই না যে কর্মচারী যদি তার কর্মের সঠিক পুরস্কার পাই তাহলে তার একদিকে যেমন কর্মচারী খুশি থাকে, মন থেকে দুয়া করে অন্য দিকে তার কাজ গুলোও  নিখুঁত ভাবে করতে চেষ...

জীবনের সাথে ভাগ্যের সম্পৃক্ততা

জীবনের সাথে ভাগ্যের সম্পৃক্ততা থাকতেই পারে, কিন্তু এর নিয়ন্তা বলে কেউ নেই। কারো ভাগ্য কোনো সত্তা প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রণ করতেছে না। মানুষ ইচ্ছে করলেই তার নিজের ভাগ্যের/পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে পারেন। নিজের জীবনে খারাপ কিছু ঘটলে এর নিমিত্তে অন্যায়ভাবে কোনো সত্তাকে দোষারোপ করার কোন কারণ নেই। মানব জাতির চিরাচরিত অভ্যাস হলো , মানুষ যখন ভাল সময় উপভোগ করে তখন বলে, এই সময়টা আমার অনিদ্র চিন্তাভাবনা, শ্রম, ঘাম, মেধার ফলন। এর উল্টোটা হলে বা যখন খারাপ সময় অতিবাহিত করে তখন বলে যে, আমার কপালে ঈশ্বর ভালো কিছু লেখেনাই, তাই আমার দ্বারা ভালো কিছু হবে না, বা উমুকে, তুমুকে আমার জীবন বরবাদ করে দিছে, তার জন্যে আমার এই অবস্থা !" - মা বাবা ভাই বোন বন্ধু স্বজন,  এমনকি বৌ স্বামী থেকে নিত্যভক্তির নিরাকার ঈশ্বর-  কারও মুক্তি নেই! যে কাউকে যে কোন সময় ব্যক্তির নিজের ভাগ্যের জন্য দোষ লেপন করে দেয় । অবশ্য, সবচেয়ে বেশি আক্রমনের শিকার নিরাকার ঈশ্বর! অর্থাৎ, আকার নেই বলেই সুলভ হচ্ছে কল্পনার বা জনশ্রুতির অথবা কেতাবী কিংবা বিশ্বাসের ঈশ্বরকে, ব্যক্তি তার নিজের ভাগ্যের জন্য  দোষারোপ করার। ভাগ...
অধিকাংশ বড় কবিই ঈশ্বর কিংবা নিরীশ্বরে স্থির থাকতে পারেন নি।বিশ্বাসের পালাবদল করেছেন। যেমন ভেবে ভেবে ভয় পেয়েছেন ঈশ্বরে বা পরকালে, তেমনি ভেবেছেন- ধুর!  কবি নজরুল, রবীন্দ্রনাথ এদের জিবনী ঘাটলে দেখা যায় তারা বড্ড সংশয়বাদী ছিলেন।

ঈশ্বরের ধর্ম - মাটি ও ঈশ্বর

মাটি  ও ঈশ্বর  মাটি বড়ই দৈর্যশীল একটি সত্তা , মাটিকে মানুষ যতই কাটাকাটি, পিটাপেটি করুকনা কেন মাটি কখনোই মানুষকে এর ফিডব্যাক দেয়না। মাটি মানুষের এই চরম অত্যাচার সহ্য করে আসছে অনন্ত কাল অবদি, এটাই হয়ত মাটির ধর্ম । এই মাটি মানুষকে অনেক কিছু শিখাতেও চায় বিনামূল্যে,বিনাঘামে। মানুষ তাও মানতে চায় না। মানুষ তার নিজস্ব লালিত শিক্ষায় অনড় থাকতেই সাচ্ছন্দ বোধকরে। এতেও মাটির কোনো ফিডব্যাক নেই। মাটির ধর্মই যেন মানুষের নিপীড়ন সহ্য করা। অন্যদিকে ঈশ্বরের ধর্মও মাটির মতই। মানুষ ঈশ্বরকে রূপায়িত করেছে নানা রূপে , একেক জন একেক রূপে তাকে নানা রকম গালাগাল দিচ্ছে। মানুষ ঈশ্বরকে হাজার হাজার ধর্মের দায়িত্ব দিয়ে নিজ  নিজ মতে ভাগাভাগি করলেও তাতেও ঈশ্বরের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ঈশ্বর যেন মাটির ওই অনুসারী। মাটির সাথে ঈশ্বরের অনেকটাই মিল রয়েছে , ঈশ্বরের ধর্ম  ঈশ্বর সর্ব শক্তিমান, সৃষ্টি জগতের মালিক, মানুষের নিয়ন্তা, নেয় বিচারক,পরম করুণাময়  দয়ালু , ক্ষমাকারী, সাহায্যকারী।কিন্ত ব্যাপার হলো, তার এইসব মহান কর্মসাধনের জ...