Skip to main content

আমাদের চারপাশের খুচরা লোকজন

আমাদের জীবনের অনেকাংশ সময়ই কেটে যায় প্ল্যান পরিকল্পনা করতে করতে, আমরা যত বড় বড় স্বপ্ন দেখি তার ৪ ভাগের ১ ভাগও সেই স্বপ্নের জন্যে কাজ করি না। অনেক সময় আমরা অনেক কাজ শুরু করতে চেয়েও শুরু করি না, এই শুরু না করার পিছনে একটা বড়ো কারণ হলো, উক্ত কাজটিতে ব্যার্থ হলে চারিপাশের সমালোচকরা কি ভাববে। আর তারা কি ভাববে এটাই আমরা ভাবতে ভাবতে আমাদের প্ল্যান পরিকল্পনাটা বড় করতে থাকি, কাজটা আর শুরু করি না। আসলে চারপাশের সমালোচকরা কি ভাববে এটা তাদের ভাবনা, তাদের ভাবনা আমরা কেনো ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করবো। আমাদের উচিত নিজেদের কাজ নিজেদের মত করেই করা। চারপাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আমরা যখনই কোনো ভালো কাজ করতে যাই, তখন একগাদা মানুষ আমাদের নিরুৎসাহিত করে, যেমন একটা কাজ শুরুর সময় অন্তত শতবার আমাদের শুনতে হয় যে, এটা তুমি পারবে না, ওটা তুমি পারো না, তুমার দ্বারা হবে না, তুমার দ্বারা সম্ভব না, এটা খুব কঠিন কাজ, এটা, ওটা অসম্ভব, এভাবে হয়না ইত্যাদি। ফলে যে ইচ্ছা উদ্দীপনা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করতে চায় তার ৭০% ইচ্ছাই শেষ হয়ে যাই। আসলে এই কথাবলা লোকজন গুলি বেসিক্যালি ধর্মান্ধ,পরনিন্দুক ও হিংসুটে প্রকৃতির স্বভাবের মানুষ। এরা একটি পুরুনো ফরমেটে নিজের জীবন পার করে দেয়, এদের কোনো ক্রিয়েটিভিটি নাই,  এরা ব্যাক্তি জিবনে নিজেরা ত কিছু করেই না আবার অন্যেরা কোনো ভালো কাজ করলেও তাতে নানা ভয় ভীতি দেখিয়ে বাঁধা সৃষ্টি করে, আমরা জানি যে প্রত্যেকটা কাজেই অন্তত একটা না একটা বাঁধা থাকেই, আর আমাদের এই বাধাবিপত্তি গুলি এড়িয়েই আমাদের লক্ষে এগিয়ে যেতে হয়। কেও যখন আমাদের কে বলে যে তুমি এটা পারবে না ওটা পারবেনা, তখন খুব সম্ভবত সে তখন তার ব্যাক্তিগত অপারগতা কেই উপস্থাপন করে, সে নিজে কাজটি পারবে না বলেই সে বিশ্বাস করে যে হয়ত আপনিও কাজটি পারবেন না । আর আমরা যদি এ ধরনের মানুষিক ধ্বজভঙ্গ লোকদের কথাই কান দেই, তাহলে ত আমরাও তাদের মতই হলাম। তাই জীবনে কিছু করতে চাইলে এইসব লোকদের উপেক্ষা করে চলাই শ্রেও, হউক তারা বাপদাদা, ভাই - ব্রাদার, আত্মীয় - স্বজন, গার্লফ্রেন্ড বা অন্য কোনো কেও।
বি:দ্র: আমার এই লেখা সবার জন্য প্রযোজ্য নই।

Comments

Popular posts from this blog

মুহাম্মদ এর স্ত্রীর সংখ্যা ও নাম

মুহাম্মদ সা. ১১ থেকে ১৪ জন নারীকে বিয়ে করেছেন। (এগারোর পরের ৩ জনের এই সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।) নিম্নে তাদের নামের তালিকা দেয়া হল:- ০১.খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (৫৯৫-৬১৯): মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন ধনাঢ্য, বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, বিশ্বাসী, সুন্দরী। তাকে বলা হয়েছে সর্বোত্তম নারী। ০২.সাওদা বিনতে উমর(৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী, দীর্ঘাঙ্গী, অহিংসুক, বিধবা। ০৩.আয়িশা (৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫২ বছর বয়সে ৬ বছরের আয়িশাকে বিয়ে করেন। মহানবী তার সাথে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন বিয়ের তিন বছর পরে। তিনি ছিলেন খলিফা আবু বকরের কন্যা, প্রজ্ঞা-জ্ঞানবতী, প্রত্যুৎপন্নমতি, স্মৃতিশক্তি ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন, সুন্দরী, উদার ও মহৎ। ০৪.হাফসা বিনতে উমর (৬২৪-৬৩২): মহানবী ৫৪ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, গুণবতী, খলিফা ওমরের কন্যা ও বিধবা। ০৫.জয়নব বিনতে খুযায়মা (৬২৫-৬৩২): মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন বিধাব, নিঃশ্বদের জননী, সুন্দরী। ০৬.উম্মে সালমা হিন্দ বিনতু আবি উমাইয়া (৬২৯-৬৩২): মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে ব...

ঈশ্বরের ধর্ম - মাটি ও ঈশ্বর

মাটি  ও ঈশ্বর  মাটি বড়ই দৈর্যশীল একটি সত্তা , মাটিকে মানুষ যতই কাটাকাটি, পিটাপেটি করুকনা কেন মাটি কখনোই মানুষকে এর ফিডব্যাক দেয়না। মাটি মানুষের এই চরম অত্যাচার সহ্য করে আসছে অনন্ত কাল অবদি, এটাই হয়ত মাটির ধর্ম । এই মাটি মানুষকে অনেক কিছু শিখাতেও চায় বিনামূল্যে,বিনাঘামে। মানুষ তাও মানতে চায় না। মানুষ তার নিজস্ব লালিত শিক্ষায় অনড় থাকতেই সাচ্ছন্দ বোধকরে। এতেও মাটির কোনো ফিডব্যাক নেই। মাটির ধর্মই যেন মানুষের নিপীড়ন সহ্য করা। অন্যদিকে ঈশ্বরের ধর্মও মাটির মতই। মানুষ ঈশ্বরকে রূপায়িত করেছে নানা রূপে , একেক জন একেক রূপে তাকে নানা রকম গালাগাল দিচ্ছে। মানুষ ঈশ্বরকে হাজার হাজার ধর্মের দায়িত্ব দিয়ে নিজ  নিজ মতে ভাগাভাগি করলেও তাতেও ঈশ্বরের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ঈশ্বর যেন মাটির ওই অনুসারী। মাটির সাথে ঈশ্বরের অনেকটাই মিল রয়েছে , ঈশ্বরের ধর্ম  ঈশ্বর সর্ব শক্তিমান, সৃষ্টি জগতের মালিক, মানুষের নিয়ন্তা, নেয় বিচারক,পরম করুণাময়  দয়ালু , ক্ষমাকারী, সাহায্যকারী।কিন্ত ব্যাপার হলো, তার এইসব মহান কর্মসাধনের জ...

খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ যেমন হয় -

এই গ্রহে এমন কিছু  ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের  মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়।  যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে হাতি গেলেও টের পাই না। শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে হুজুরের কাছে সিন্নি পাঠায়। কথাটা আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে, এরা মজুরের টাকা মেরে মাজারে দান করে। এরা দেখা যাই শ্রমিকের ন্যায্য পাওনার বেলায় খুব হিসাবি, অথচ ভোগবিলাসিতার বেলায় চিন্তা থাকেনা একটুও। এরা এইটুক বুঝতে চাই না যে কর্মচারী যদি তার কর্মের সঠিক পুরস্কার পাই তাহলে তার একদিকে যেমন কর্মচারী খুশি থাকে, মন থেকে দুয়া করে অন্য দিকে তার কাজ গুলোও  নিখুঁত ভাবে করতে চেষ...