Skip to main content

ধর্মের বড়াই বাহাদুরি, অতৎপর অমানবিক হত্যাকাণ্ড

মৌলবাদ, জাতীয়তাবাদ, বর্ণবাদ, ধর্মবাদ, জাতপাতের বরাই পৃথিবীতে যতদিন থাকবে, জঙ্গীহামলা, যুদ্ধ, গণহত্যাও ততদিন রবে । ঈশ্বর, ঈশ্বরের মনোনীত ধর্ম নিয়ে টানাটানি হেঁচড়া হেঁচড়ি করা মডারেট হু-যুগের প্রাণী গুলির মস্তিষ্কে মানব বোধ চিরাচরিতই বেমানান। মানুষের প্রাণহানিতে  যারা পক্ষে পক্ষে বাহ্ বাহ্ তে উল্লাসিত হয়, উৎসাহিত করে আরেকটি যুদ্ধের প্রস্তুতিকে, তারাই তাদের রিলেটিভ হরমোন, জ্বিনের একাংশ যারা অমানবিক হত্যাযজ্ঞ চালায়। একজন খ্রিস্টান সন্ত্রাসী হলে সকল খ্রিষ্টানকে দুশারূপে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা বা একজন হিন্দু সন্ত্রাসী হলে সকল হিন্দুকে, একজন বুদ্ধ সন্ত্রাসী হলে সকল বুদ্ধ কে বা একজন মুসলিম সন্ত্রাসী হলেই সকল মুসলিমকে ঘৃণা, দুশারুপ করাটা একেবারেই অযুক্তিক।
সন্ত্রাসী_ সন্ত্রাসীই । সন্ত্রাস বাদ ছরাই সন্ত্রাসীর শিক্ষা আর তার পরিবেশের উপড় বিত্তিকরেই, ধর্মের উপরে বিত্তিকরে ততটা নয় হয়ত যতটা বিত্তিকরে তার কু-শিক্ষার উপর। ধর্মের উপরে বিত্তিকরে যদি সম্পূর্ণ সন্ত্রাস বাদ ছড়াতো তবে ধর্মের সবাই সন্ত্রাসী হতো। বিশ্বযুদ্ধ আর বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ থাকতো না। মনুষ্য বোধ মস্তিষ্কে না জন্মিলে, মানুষের প্রাণ হানীতে মর্মাহত হওয়ার যোগ্য মন মানসিকতা আমার আপনার মধ্যে যাগ্রত না হলে অমানবিক হত্যাযজ্ঞ রোধ সম্ভবপর হয়ে উঠবে না।
এযু্গে বড্ড মনে পড়ে যায় লালন শাইজির কথা, যিনি বহু বছর আগেই বলেছিলেন, এমন সমাজ কবে গো সৃজন হবে, যেদিন হিন্দু মুসলিম বুদ্ধ খৃষ্টান জাতের বেদাবেদ নাহি রবে। 
``মানুষের চেয়ে, মানুষের নিরীহ জীবনের চেয়ে এই প্রচলিত ধর্ম কখনোই বড় হওয়ার নই।

Comments

Popular posts from this blog

মুহাম্মদ এর স্ত্রীর সংখ্যা ও নাম

মুহাম্মদ সা. ১১ থেকে ১৪ জন নারীকে বিয়ে করেছেন। (এগারোর পরের ৩ জনের এই সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।) নিম্নে তাদের নামের তালিকা দেয়া হল:- ০১.খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (৫৯৫-৬১৯): মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন ধনাঢ্য, বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, বিশ্বাসী, সুন্দরী। তাকে বলা হয়েছে সর্বোত্তম নারী। ০২.সাওদা বিনতে উমর(৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী, দীর্ঘাঙ্গী, অহিংসুক, বিধবা। ০৩.আয়িশা (৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫২ বছর বয়সে ৬ বছরের আয়িশাকে বিয়ে করেন। মহানবী তার সাথে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন বিয়ের তিন বছর পরে। তিনি ছিলেন খলিফা আবু বকরের কন্যা, প্রজ্ঞা-জ্ঞানবতী, প্রত্যুৎপন্নমতি, স্মৃতিশক্তি ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন, সুন্দরী, উদার ও মহৎ। ০৪.হাফসা বিনতে উমর (৬২৪-৬৩২): মহানবী ৫৪ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, গুণবতী, খলিফা ওমরের কন্যা ও বিধবা। ০৫.জয়নব বিনতে খুযায়মা (৬২৫-৬৩২): মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন বিধাব, নিঃশ্বদের জননী, সুন্দরী। ০৬.উম্মে সালমা হিন্দ বিনতু আবি উমাইয়া (৬২৯-৬৩২): মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে ব...

ঈশ্বরের ধর্ম - মাটি ও ঈশ্বর

মাটি  ও ঈশ্বর  মাটি বড়ই দৈর্যশীল একটি সত্তা , মাটিকে মানুষ যতই কাটাকাটি, পিটাপেটি করুকনা কেন মাটি কখনোই মানুষকে এর ফিডব্যাক দেয়না। মাটি মানুষের এই চরম অত্যাচার সহ্য করে আসছে অনন্ত কাল অবদি, এটাই হয়ত মাটির ধর্ম । এই মাটি মানুষকে অনেক কিছু শিখাতেও চায় বিনামূল্যে,বিনাঘামে। মানুষ তাও মানতে চায় না। মানুষ তার নিজস্ব লালিত শিক্ষায় অনড় থাকতেই সাচ্ছন্দ বোধকরে। এতেও মাটির কোনো ফিডব্যাক নেই। মাটির ধর্মই যেন মানুষের নিপীড়ন সহ্য করা। অন্যদিকে ঈশ্বরের ধর্মও মাটির মতই। মানুষ ঈশ্বরকে রূপায়িত করেছে নানা রূপে , একেক জন একেক রূপে তাকে নানা রকম গালাগাল দিচ্ছে। মানুষ ঈশ্বরকে হাজার হাজার ধর্মের দায়িত্ব দিয়ে নিজ  নিজ মতে ভাগাভাগি করলেও তাতেও ঈশ্বরের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ঈশ্বর যেন মাটির ওই অনুসারী। মাটির সাথে ঈশ্বরের অনেকটাই মিল রয়েছে , ঈশ্বরের ধর্ম  ঈশ্বর সর্ব শক্তিমান, সৃষ্টি জগতের মালিক, মানুষের নিয়ন্তা, নেয় বিচারক,পরম করুণাময়  দয়ালু , ক্ষমাকারী, সাহায্যকারী।কিন্ত ব্যাপার হলো, তার এইসব মহান কর্মসাধনের জ...

খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ যেমন হয় -

এই গ্রহে এমন কিছু  ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের  মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়।  যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে হাতি গেলেও টের পাই না। শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে হুজুরের কাছে সিন্নি পাঠায়। কথাটা আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে, এরা মজুরের টাকা মেরে মাজারে দান করে। এরা দেখা যাই শ্রমিকের ন্যায্য পাওনার বেলায় খুব হিসাবি, অথচ ভোগবিলাসিতার বেলায় চিন্তা থাকেনা একটুও। এরা এইটুক বুঝতে চাই না যে কর্মচারী যদি তার কর্মের সঠিক পুরস্কার পাই তাহলে তার একদিকে যেমন কর্মচারী খুশি থাকে, মন থেকে দুয়া করে অন্য দিকে তার কাজ গুলোও  নিখুঁত ভাবে করতে চেষ...