Skip to main content

Posts

Showing posts from January, 2019

লৌকোকথাই কান দিতে নেই

রাস্তায় পরে থাকা একটি বাশ একজন লেবার বা শ্রমিকের কাছে শুধুই বাশ, আর একজন আর্কিটেকচার বা বিল্ডিং ডেভলপার এর কাছে এটি একটি কোটি টাকার বিল্ডিং এর খুঁটি। চানাচুর, বাদাম বা ঝালমুড়ি বিক্রেতার কাছে একটা নিউটন বা আইনস্টাইনের লেখা বিজ্ঞানের বইএর পাতা শুধুই ঠুঙ্গা, আর একজন বিজ্ঞানের স্টুডেন্ট এর কাছে এটা একটা মুল্যবান বই এর পাতা । দুইটা ব্যাপারই স্বাভাবিক, তবে ডিফরেন্ট ব্যাপার হলো কে কোনটা কিভাবে দেখে। আসলে যে যা যতটুকু জানে তার বিচার বা চিন্তা করার ক্ষমতা ততটুকুই। আপনার মধ্যে প্রতিভা থাকা সত্বেও যদি কিছু মানুষ আপনাকে মূল্যায়ণ না করে, এতে হতাশার কি আছে। যে যেটা জানে না, সে সেটার প্রয়োজনীয়তা বা মূল্যবোধ কিভাবে টের পাবে। যেমন অন্ধেরা তার সামনে দিয়ে হাতি গেলেও দেখে না। এটাও স্বাভাবিক। কেও যদি আপনার সাথে একসাথে বসে সময় কাটিয়ে ও আপনাকে চিনতে পারলো না বরং উল্টো চিন্তা করে আপনাকে আরো ভূল বুজলো এটা তারই ব্যার্থতা। এতে আপনার মনখুন্য হাওয়ার কিছুই নেই। লেখাটা এখনও পরিষ্কার না হলে আরো কিছু এক্সাম্পল দেই, ধরুন আপনি এমন এক এলাকাই গেলেন, যেখানে কোনো শিক্ষা ব্যাবস্থা নেই, কেও প্রাইমারী স্কুল পর্যন...

আমাদের চারপাশের খুচরা লোকজন

আমাদের জীবনের অনেকাংশ সময়ই কেটে যায় প্ল্যান পরিকল্পনা করতে করতে, আমরা যত বড় বড় স্বপ্ন দেখি তার ৪ ভাগের ১ ভাগও সেই স্বপ্নের জন্যে কাজ করি না। অনেক সময় আমরা অনেক কাজ শুরু করতে চেয়েও শুরু করি না, এই শুরু না করার পিছনে একটা বড়ো কারণ হলো, উক্ত কাজটিতে ব্যার্থ হলে চারিপাশের সমালোচকরা কি ভাববে। আর তারা কি ভাববে এটাই আমরা ভাবতে ভাবতে আমাদের প্ল্যান পরিকল্পনাটা বড় করতে থাকি, কাজটা আর শুরু করি না। আসলে চারপাশের সমালোচকরা কি ভাববে এটা তাদের ভাবনা, তাদের ভাবনা আমরা কেনো ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করবো। আমাদের উচিত নিজেদের কাজ নিজেদের মত করেই করা। চারপাশে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আমরা যখনই কোনো ভালো কাজ করতে যাই, তখন একগাদা মানুষ আমাদের নিরুৎসাহিত করে, যেমন একটা কাজ শুরুর সময় অন্তত শতবার আমাদের শুনতে হয় যে, এটা তুমি পারবে না, ওটা তুমি পারো না, তুমার দ্বারা হবে না, তুমার দ্বারা সম্ভব না, এটা খুব কঠিন কাজ, এটা, ওটা অসম্ভব, এভাবে হয়না ইত্যাদি। ফলে যে ইচ্ছা উদ্দীপনা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করতে চায় তার ৭০% ইচ্ছাই শেষ হয়ে যাই। আসলে এই কথাবলা লোকজন গুলি বেসিক্যালি ধর্মান্ধ,পরনিন্দুক ও হিংসুটে প্রকৃতির স্বভ...

খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ যেমন হয় -

এই গ্রহে এমন কিছু  ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের  মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়।  যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে হাতি গেলেও টের পাই না। শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে হুজুরের কাছে সিন্নি পাঠায়। কথাটা আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে, এরা মজুরের টাকা মেরে মাজারে দান করে। এরা দেখা যাই শ্রমিকের ন্যায্য পাওনার বেলায় খুব হিসাবি, অথচ ভোগবিলাসিতার বেলায় চিন্তা থাকেনা একটুও। এরা এইটুক বুঝতে চাই না যে কর্মচারী যদি তার কর্মের সঠিক পুরস্কার পাই তাহলে তার একদিকে যেমন কর্মচারী খুশি থাকে, মন থেকে দুয়া করে অন্য দিকে তার কাজ গুলোও  নিখুঁত ভাবে করতে চেষ...