Skip to main content

নিজেকে সুখী করাই প্রত্যেকের মূখ্য উদ্দেশ্য!

কেউ আপনাকে ছেড়ে গেলে আপনি তাকে অনেক বেশি ফিরে পেতে চান কেন?

উত্তরঃ হয়ত আপনার মনের শান্তির জন্য।

তাকে পেলে আপনি ভাল থাকবেন বলে। সে আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারবে বলে। অর্থাৎ নিজেকে সুখী করার জন্য।
দেখুন এখানে কিন্তু আপনার সুখই মূখ্য বিষয়। কেউ চলে গেলে যদি আপনার খারাপ না লাগে তাকে ফিরে পাওয়ার কথাও মাথায় আসবে না। এখন যে আপনার সাথে থাকতে চায় না, তাকে নিয়েই কেন সুখে থাকার চিন্তা করতে হবে? এতে কি আপনার আত্মসন্মান কমে যায় না? আপনার ব্যাপার আপনার ই বুঝা উচিৎ ।

যে চলে যেতে চায়, তাকে ছেড়ে দিয়েও সুখে থাকা যায়, যদি না আপনার মাঝে কোনো যোগ্যতা গত দুর্বলতা কাজ না করে। অর্থাৎ যে চলে যেতে চাচ্ছে সে অনেক বেশি যোগ্য, হয়তো এমন কাউকে আপনি আর পাবেন না এই ভয় আপনার মনে ।

আবেগের কথা যদি বলেন, যে চলে যাচ্ছে তার কি আবেগ নেই? যদি না থাকে তার আবেগ তাহলে কি দেখে আপনি তার প্রেমে পড়েছিলেন? সাধারণত দেখা যায় কাপলদের মধ্যে যে একটু বেশি যোগ্য সে সম্পর্ক সহজে ভেংগে দেয়। তার কেন খারাপ লাগা কাজ করে না? শুধু আপনার কেন খারাপ লাগা কাজ করে? আপনি আবেগী এজন্য? তাহলে নিজে আবেগী হয়ে কেন একজন আবেগহীনের প্রেমে পড়েছিলেন?

একজন আপনার সাথে থাকতে চায় না, তবুও আপনি তাকে ফিরে পেতে চান , কেনো ?
তাহলে আমি বলব আপনি এখনো নিজেকে সন্মান করতে শেখেন নি!
যার আপনার জন্যে খারাপ লাগে না, তাকে নিয়ে আপনার কেন খারাপ লাগা কাজ করবে, তার সম্পর্কে কেন আপনি এত উদাসীন, কেনো, কেনো, কেনো ?
এই প্রশ্ন গুলো নিজেকে করুন , নিজের অ্যানালিটিক্যাল মাইন্ড দিয়া কি কিছুক্ষন চিন্তা করুন।
প্রেম তো সেও করেছিল, শুধু আপনি ত আর একা প্রেম করেননি।
নিজের আত্মসন্মান বাড়ান,
কারো বাহ্যিক অবস্থার প্রতি দুর্বল হয়ে তার পেছনে হাজার চেষ্টা করেও আপনি তাকে ফিরে পাবেন না, যদি না সেই মানুষটিও আপনাকে চায়।
তাহলে কি এটাই অনুমিত হয় না যে, নিজেকে সুখী করাই মুখ্য বিষয় ?
তাহলে নিজেকে সুখী করাই যদি মূখ্য বিষয় হয়,
সেক্ষেত্রে যে আপনার সাথে থাকবে না, যাকে আপনি ইচ্ছে করলেও রাখতে পারবেন না,
তাকে ছেড়ে দেয়াই কি ভাল না?
আর স্বেচ্ছায় যখন কিছু ছেড়ে দেবেন, তখন আপনার মনের শান্তি ফিরে আসবে।

Comments

Popular posts from this blog

মুহাম্মদ এর স্ত্রীর সংখ্যা ও নাম

মুহাম্মদ সা. ১১ থেকে ১৪ জন নারীকে বিয়ে করেছেন। (এগারোর পরের ৩ জনের এই সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।) নিম্নে তাদের নামের তালিকা দেয়া হল:- ০১.খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (৫৯৫-৬১৯): মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন ধনাঢ্য, বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, বিশ্বাসী, সুন্দরী। তাকে বলা হয়েছে সর্বোত্তম নারী। ০২.সাওদা বিনতে উমর(৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী, দীর্ঘাঙ্গী, অহিংসুক, বিধবা। ০৩.আয়িশা (৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫২ বছর বয়সে ৬ বছরের আয়িশাকে বিয়ে করেন। মহানবী তার সাথে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন বিয়ের তিন বছর পরে। তিনি ছিলেন খলিফা আবু বকরের কন্যা, প্রজ্ঞা-জ্ঞানবতী, প্রত্যুৎপন্নমতি, স্মৃতিশক্তি ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন, সুন্দরী, উদার ও মহৎ। ০৪.হাফসা বিনতে উমর (৬২৪-৬৩২): মহানবী ৫৪ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, গুণবতী, খলিফা ওমরের কন্যা ও বিধবা। ০৫.জয়নব বিনতে খুযায়মা (৬২৫-৬৩২): মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন বিধাব, নিঃশ্বদের জননী, সুন্দরী। ০৬.উম্মে সালমা হিন্দ বিনতু আবি উমাইয়া (৬২৯-৬৩২): মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে ব...

ঈশ্বরের ধর্ম - মাটি ও ঈশ্বর

মাটি  ও ঈশ্বর  মাটি বড়ই দৈর্যশীল একটি সত্তা , মাটিকে মানুষ যতই কাটাকাটি, পিটাপেটি করুকনা কেন মাটি কখনোই মানুষকে এর ফিডব্যাক দেয়না। মাটি মানুষের এই চরম অত্যাচার সহ্য করে আসছে অনন্ত কাল অবদি, এটাই হয়ত মাটির ধর্ম । এই মাটি মানুষকে অনেক কিছু শিখাতেও চায় বিনামূল্যে,বিনাঘামে। মানুষ তাও মানতে চায় না। মানুষ তার নিজস্ব লালিত শিক্ষায় অনড় থাকতেই সাচ্ছন্দ বোধকরে। এতেও মাটির কোনো ফিডব্যাক নেই। মাটির ধর্মই যেন মানুষের নিপীড়ন সহ্য করা। অন্যদিকে ঈশ্বরের ধর্মও মাটির মতই। মানুষ ঈশ্বরকে রূপায়িত করেছে নানা রূপে , একেক জন একেক রূপে তাকে নানা রকম গালাগাল দিচ্ছে। মানুষ ঈশ্বরকে হাজার হাজার ধর্মের দায়িত্ব দিয়ে নিজ  নিজ মতে ভাগাভাগি করলেও তাতেও ঈশ্বরের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ঈশ্বর যেন মাটির ওই অনুসারী। মাটির সাথে ঈশ্বরের অনেকটাই মিল রয়েছে , ঈশ্বরের ধর্ম  ঈশ্বর সর্ব শক্তিমান, সৃষ্টি জগতের মালিক, মানুষের নিয়ন্তা, নেয় বিচারক,পরম করুণাময়  দয়ালু , ক্ষমাকারী, সাহায্যকারী।কিন্ত ব্যাপার হলো, তার এইসব মহান কর্মসাধনের জ...

খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ যেমন হয় -

এই গ্রহে এমন কিছু  ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের  মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়।  যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে হাতি গেলেও টের পাই না। শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে হুজুরের কাছে সিন্নি পাঠায়। কথাটা আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে, এরা মজুরের টাকা মেরে মাজারে দান করে। এরা দেখা যাই শ্রমিকের ন্যায্য পাওনার বেলায় খুব হিসাবি, অথচ ভোগবিলাসিতার বেলায় চিন্তা থাকেনা একটুও। এরা এইটুক বুঝতে চাই না যে কর্মচারী যদি তার কর্মের সঠিক পুরস্কার পাই তাহলে তার একদিকে যেমন কর্মচারী খুশি থাকে, মন থেকে দুয়া করে অন্য দিকে তার কাজ গুলোও  নিখুঁত ভাবে করতে চেষ...